সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর ট্যারিফ কার্ডে ড্যামেজ কন্ট্রোল ট্রাম্পের

সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর ট্যারিফ কার্ডে ড্যামেজ কন্ট্রোল ট্রাম্পের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সুপ্রিম কোর্টের প্রতিকূল রায়ের পর কংগ্রেসে ‘স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন’ ভাষণে তাঁর বিতর্কিত শুল্ক নীতি বা ‘ট্যারিফ কার্ড’ দিয়ে ড্যামেজ কন্ট্রোলের চেষ্টা করেছেন। শীর্ষ আদালত তাঁর শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্তকে বেআইনি ও ক্ষমতার অপব্যবহার হিসেবে ঘোষণা করলেও ট্রাম্প একে দুর্ভাগ্যজনক বলে আখ্যা দেন। আমেরিকান নাগরিকদের আর্থিক বোঝা কমাতে এবং দেশের আধুনিক আয়কর ব্যবস্থাকে নমনীয় করতেই এই ‘রিসিপোকাল ট্যারিফ’ কার্যকর করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

বিদেশি রাষ্ট্রগুলোর ওপর আরোপিত এই বিশেষ শুল্ক থেকে প্রাপ্ত আয় ভবিষ্যতে আয়করের প্রয়োজনীয়তা কমিয়ে দেবে বলে প্রেসিডেন্ট আশাপ্রকাশ করেছেন। সুপ্রিম কোর্টের ৯ জন বিচারপতির বেঞ্চের মধ্যে ৬ জনই এই শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা করেছিলেন। তাসত্ত্বেও নিজের অবস্থানে অনড় থেকে ট্রাম্প দেশবাসীর জন্য একে একটি কল্যাণকর পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরেন। তাঁর মতে, বিদেশি দেশগুলো থেকে আদায় করা এই অর্থ সাধারণ মার্কিনিদের পকেট সাশ্রয় করবে।

আইনি বাধা সত্ত্বেও ট্রাম্প প্রশাসন দুই দফায় নতুন করে শুল্ক আরোপের হুঁশিয়ারি দিয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত ইউনাইটেড স্টেটস কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন এজেন্সি জানিয়েছে, শুল্কের হার ১৫ শতাংশের বদলে চূড়ান্তভাবে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। এই সংশোধিত অতিরিক্ত ট্যারিফ ২৪ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত থেকে কার্যকর হওয়ার কথা জানানো হয়েছে। আদালতের নির্দেশ এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের এই টানাপোড়েন এখন মার্কিন রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *