সৌরবিদ্যুৎ ও সরকারি ভর্তুকি, মধ্যবিত্তের সাশ্রয়ে নতুন দিশা

সৌরবিদ্যুৎ ও সরকারি ভর্তুকি, মধ্যবিত্তের সাশ্রয়ে নতুন দিশা

বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা ও জ্বালানির ক্রমবর্ধমান মূল্যের আবহে বিকল্প শক্তি হিসেবে সৌরবিদ্যুতের চাহিদা তুঙ্গে। বর্তমানে সোলার প্যানেলের মাধ্যমে উৎপাদিত বিদ্যুৎ দিয়ে অনায়াসেই ইন্ডাকশন ওভেন ও গিজার চালানো সম্ভব, যা রান্নার গ্যাসের খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেয়। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রান্নায় আংশিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার করলে একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের বার্ষিক খরচ প্রায় ৩০-৪০ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস পেতে পারে।

সাশ্রয়ের এই পথ প্রশস্ত করতে ভারত সরকার ‘পিএম সূর্য ঘর: মুফ্ত বিজলি যোজনা’র অধীনে বড় অঙ্কের ভর্তুকি প্রদান করছে। ২০২৬ সালের নিয়ম অনুযায়ী, ২ কিলোওয়াট সিস্টেমের জন্য ৬০,০০০ টাকা এবং ৩ কিলোওয়াট বা তার বেশি ক্ষমতার সিস্টেমের জন্য সর্বোচ্চ ৭৮,০০০ টাকা পর্যন্ত অনুদান সরাসরি গ্রাহকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে দেওয়া হচ্ছে। এককালীন এই বিনিয়োগ দীর্ঘমেয়াদে কয়েক লক্ষ টাকা সাশ্রয় নিশ্চিত করে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সোলার প্যানেলের স্থায়িত্ব প্রায় ২৫ বছর। বর্তমান বাজারদরে ৩ কিলোওয়াট সিস্টেম বসাতে ভর্তুকি বাদে আনুমানিক ৭০-৭৫ হাজার টাকা খরচ হলেও, এটি কয়েক দশকের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিল থেকে মুক্তি দেয়। ভবিষ্যতে কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি ও সরকারি ভর্তুকি কমে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকায়, এখনই সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপন করা সাধারণ মানুষের জন্য সবচেয়ে লাভজনক ও দূরদর্শী সিদ্ধান্ত হতে পারে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *