হাতে বন্দুক মুখে বিষোদ্গার মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মুসলিম যুবকের বিস্ফোরক ভিডিও ভাইরাল

বাংলার রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তির ভিডিও ঘিরে। ওই ভিডিওতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে একাধিক বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি। তাঁর দাবি, তৃণমূল কংগ্রেস মুসলিমদের শুধুমাত্র ভোটব্যাঙ্ক হিসেবে ব্যবহার করে এবং উন্নয়নের কোনো কাজই করেনি।
ভাইরাল ভিডিও ক্লিপটিতে ওই ব্যক্তিকে বলতে শোনা যাচ্ছে, বাংলায় মুসলিমদের জন্য কোনো কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বা ভালো স্কুল তৈরি হয়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁদের কোনো উন্নয়ন করেননি, বরং তাঁদের ব্যবহার করা হয়েছে কেবল ভোট লুট করার জন্য এবং হিন্দুদের ভয় দেখানোর জন্য। তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, হিন্দুদের রামনবমী বা দুর্গাপূজার মতো উৎসবে তাঁদের হামলা করতে পাঠানো হয়। তাঁর কথায়, “গুলি আমরাই চালাই, আবার গুলি আমাদেরই খেতে হয়। মরতেও হয় আমাদের, জেলেও যেতে হয় আমাদের।” বাংলার বর্তমান পরিস্থিতি এমনই বলে দাবি করেছেন তিনি।
এদিকে এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ধর্মতলার ধরনা মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক তুঙ্গে উঠেছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা আছি বলে আপনারা সবাই ভালো আছেন। যদি আমরা না থাকি, তবে এক সেকেন্ড লাগবে। একটা কমিউনিটি যখন জোট বাঁধে, ঘিরে ফেললে এক সেকেন্ডে ১২টা বাজিয়ে দেবে।” যদিও মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে কোনো নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের নাম উল্লেখ করেননি, তবে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী এই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন। বিজেপির দাবি, মুখ্যমন্ত্রী পরোক্ষভাবে হিন্দুদেরই সতর্ক করেছেন। পাল্টা তৃণমূলের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী কেবল ঐক্যের কথা বলেছেন এবং কোনো সম্প্রদায়ের নাম নেননি। ভাইরাল ভিডিওটির সত্যতা অবশ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।