হিংসা ঠেকাতে বড় পদক্ষেপ—নির্বাচনী আধিকারিকদের কী নির্দেশ দিল কমিশন?

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজ্যে শান্তিপূর্ণ ও ভয়মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে কোমর বেঁধে নেমেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সোমবার দিল্লির নির্বাচন সদন থেকে রাজ্যের সমস্ত জেলা নির্বাচনী আধিকারিক (DEO), পুলিশ সুপার এবং পুলিশ কমিশনারদের নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যালোচনা বৈঠক করেন নির্বাচনী আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমার। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আয়োজিত এই বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির খুঁটিনাটি খতিয়ে দেখার পাশাপাশি আসন্ন নির্বাচনে যেকোনো ধরনের হিংসা রুখতে কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে।
বৈঠকে মূলত ইভিএম ব্যবস্থাপনা, বুথ স্তরের সুযোগ-সুবিধা, নির্বাচনী কর্মীদের প্রশিক্ষণ এবং ভোটার সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, ভোটারদের প্রলুব্ধ করতে অবৈধ আর্থিক লেনদেন, মদ বা উপহার সামগ্রী বিতরণের মতো ঘটনার ওপর কড়া নজরদারির নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। ন্যাশনাল লেভেল মাস্টার ট্রেনাররা জেলা আধিকারিকদের আদর্শ আচরণবিধি কার্যকর করা এবং স্পর্শকাতর বুথগুলি চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদান করেন।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আগামী ২৫ মার্চ থেকে প্রতিটি বিভাগীয় সদরে রিটার্নিং অফিসারদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ শিবিরের আয়োজন করা হবে। গত ৯ মার্চ মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের দেওয়া হিংসামুক্ত ভোটের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন হিসেবেই এই তৎপরতাকে দেখছে ওয়াকিবহাল মহল। রাজ্যের প্রতিটি জেলায় যাতে নির্বিঘ্নে ভোট প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়, সে বিষয়ে কোনো আপস করা হবে না বলে সাফ জানিয়েছেন আধিকারিকরা।