১০-২০ হাজার টাকার লোভে দেশবিরোধী কাজ! উত্তরপ্রদেশে ভয়ংকর গুপ্তচর চক্রের পর্দাফাঁস

১০-২০ হাজার টাকার লোভে দেশবিরোধী কাজ! উত্তরপ্রদেশে ভয়ংকর গুপ্তচর চক্রের পর্দাফাঁস

উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে এক ভয়াবহ আন্তঃরাজ্য গুপ্তচর চক্রের হদিশ পেল পুলিশ। সামরিক ঘাঁটি ও রেল স্টেশনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার ছবি ও ভিডিও পাকিস্তানে পাচারের অভিযোগে এখনও পর্যন্ত ২২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তে জানা গেছে, পাকিস্তান থেকে সুহেল মালিক ও নওশাদ আলির মতো হ্যান্ডলাররা এই চক্রটি পরিচালনা করত। ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া মোবাইলে স্পর্শকাতর এলাকার অসংখ্য নথি পাওয়া গেছে।

জিজ্ঞাসাবাদে উঠে এসেছে যে, প্রতিটি কাজের বিনিময়ে অভিযুক্তদের ৫ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত দেওয়া হতো। বিশেষ করে প্রযুক্তিগত জ্ঞানসম্পন্ন ও আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া যুবকদের লক্ষ্য করে এই নেটওয়ার্ক বিস্তার করা হয়েছিল। দিল্লি থেকে জম্মু পর্যন্ত রেলপথে সৌরচালিত নজরদারি যন্ত্র বসিয়ে সরাসরি তথ্য পাঠানোর মতো উদ্বেগজনক পরিকল্পনাও ছিল এই চক্রের। দেশের সিম কার্ড ব্যবহার করে তথ্য পাচারের বিশেষ কৌশল অবলম্বন করত তারা।

অন্যদিকে, এই ঘটনার সমান্তরালে আসামের চাবুয়া বায়ুসেনা ঘাঁটি থেকেও সুমিত কুমার নামে এক কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রাজস্থান ইন্টেলিজেন্সের দাবি, ওই ব্যক্তি বায়ুসেনার গোপন নথি পাকিস্তানি হ্যান্ডলারদের কাছে পাঠাতেন। বর্তমানে পুলিশ ও তদন্তকারী সংস্থাগুলো ধৃতদের জেরা করে এই বিশাল নেটওয়ার্কের শিকড় সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছে। সীমান্ত পারের এই ষড়যন্ত্র ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুতর বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *