১২ বছরের শিশুদের হাতে অস্ত্র? ইরানের সামরিক বাহিনীতে যোগ দিচ্ছে নাবালকরা

ইরান, আমেরিকা ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান রক্তক্ষয়ী সংঘাত ২৮ দিনে পা দিলেও থামার কোনো লক্ষণ নেই। এই যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে ইরানের প্রভাবশালী সামরিক বাহিনী ‘ইসলামিক রিভল্যুশনারি গার্ড কোর’ (আইআরজিসি) এক চাঞ্চল্যকর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দেশের নিরাপত্তা ও সামরিক সহায়তা কার্যক্রমে অংশগ্রহণের জন্য শিশুদের সর্বনিম্ন বয়সসীমা কমিয়ে ১২ বছর করা হয়েছে।
আইআরজিসির সাংস্কৃতিক বিষয়ক কর্মকর্তা রহিম নাদালি জানিয়েছেন, ‘ফর ইরান’ নামক বিশেষ প্রকল্পের আওতায় এই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এর মাধ্যমে ১২ ও ১৩ বছর বয়সী স্বেচ্ছাসেবীরা টহলদারি, চেকপোস্ট পরিচালনা এবং রসদ সরবরাহের মতো গুরুত্বপূর্ণ সামরিক কাজে সরাসরি অংশ নিতে পারবে। মূলত অপ্রাপ্তবয়স্কদের ব্যাপক আগ্রহের কারণেই এই বয়সসীমা কমানো হয়েছে বলে দাবি করেছে তেহরান।
ইরানের এই বিতর্কিত ঘোষণায় বিশ্বজুড়ে শিশু অধিকার কর্মীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। এর আগেও ২০১৬ সালের বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে অসংখ্য শিশুর প্রাণহানির অভিযোগ উঠেছিল। বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ১২ বছরের খুদেদের জীবন বিপন্ন করে রণক্ষেত্রে নামানোর এই নির্দেশ আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছে।