১৩ বছরের লড়াই শেষ, ছেলের মৃত্যুর পর বাবার একটি হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ কাঁদিয়ে দিল গোটা দেশকে

১৩ বছরের লড়াই শেষ, ছেলের মৃত্যুর পর বাবার একটি হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ কাঁদিয়ে দিল গোটা দেশকে

ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের স্বপ্ন নিয়ে হোস্টেলের চারতলা থেকে পড়ে যাওয়া হরিশ রানা দীর্ঘ ১৩ বছর কোমায় থাকার পর বিদায় নিলেন। ২০২৬ সালের ১১ মার্চ সুপ্রিম কোর্টের এক ঐতিহাসিক রায়ে হরিশকে প্যাসিভ ইউথানেশিয়া বা নিষ্কৃতি মৃত্যুর অনুমতি দেওয়া হয়। ২৪ মার্চ দিল্লির এমস (AIIMS) হাসপাতালে চিকিৎসকদের বিশেষ পর্যবেক্ষণে জীবনদায়ী ব্যবস্থা সরিয়ে নেওয়ায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

ছেলের শেষযাত্রার খবর জানিয়ে বাবা অশোক রানা হাউজিং সোসাইটির গ্রুপে লেখেন— “সকাল ৯টায় গ্রিন পার্কে ওর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।” এই ছোট্ট বার্তায় চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি পড়শিরা। ২০১৩ সালে পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিলেন হরিশ। তারপর থেকে লাইফ সাপোর্টই ছিল তাঁর ঠিকানা। এমস-এর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের দল অত্যন্ত সংবেদনশীলতার সঙ্গে যন্ত্রণাহীন মৃত্যু নিশ্চিত করার প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করেন। বিদায়বেলায় ব্রহ্মকুমারী সংগঠনের সদস্যরা তাঁর কপালে তিলক কেটে চিরশান্তির প্রার্থনা জানান। হরিশের এই প্রস্থান কেবল একটি পরিবারের ট্র্যাজেডি নয়, বরং মর্যাদার সাথে মৃত্যুবরণের এক আইনি লড়াইয়ের অবসান।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *