২০২৬ সালেও নেটহীন দুনিয়া! গুগল কি চেনে না এই দেশের মানুষ?
March 24, 202611:56 am

৬জি বিপ্লবের যুগেও এক অদ্ভুত বাস্তব। যেখানে হোয়াটসঅ্যাপ নেই, নেই কোনো সোশ্যাল মিডিয়া। পূর্ব আফ্রিকার দেশ ইরিত্রিয়া যেন এক বিচ্ছিন্ন দ্বীপ। ডিজিটাল দুনিয়ার ছিটেফোঁটাও পৌঁছায়নি এখানকার সাধারণ মানুষের কাছে।
কেন এখানে ইন্টারনেট অচল?
- কঠোর সরকারি নিয়ন্ত্রণ: এখানে ইন্টারনেটের রাশ পুরোপুরি সরকারের হাতে। প্রতিটি অনলাইন কর্মকাণ্ডের ওপর কড়া নজরদারি থাকায় সাধারণ মানুষ ব্যবহারের সাহস পায় না।
- ভঙ্গুর পরিকাঠামো: উন্নত ব্রডব্যান্ড বা মোবাইল টাওয়ারের নামনিশানা নেই। নামমাত্র যা পাওয়া যায়, তার গতি এতটাই ধীর যে একটি সাধারণ ওয়েব পেজ খুলতেও কয়েক মিনিট কাবার।
- আকাশছোঁয়া খরচ: ডেটার দাম এতটাই বেশি যে একজন সাধারণ মানুষের মাসের আয় দিয়ে কয়েক এমবি ডেটা কেনাও আসাম্ভব।
কেমন কাটে তাদের জীবন?
স্মার্টফোনের বদলে এখনও কিপ্যাড ফোনের রাজত্ব। তথ্যের জন্য একমাত্র ভরসা রেডিও আর সরকারি সংবাদপত্র। গুটিকয়েক সরকারি ইন্টারনেট ক্যাফে থাকলেও সেখানে চলে দীর্ঘ লাইন আর কড়া নিয়মকানুন। অনলাইন লাইব্রেরি বা ইউটিউব ছাড়াই পড়াশোনা করতে হচ্ছে এখানকার পড়ুয়াদের। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে আজও তারা নির্ভর করে ল্যান্ডলাইন বা চিঠিপত্রের ওপর। ২০২৬ সালের অত্যাধুনিক বিশ্বে ইরিত্রিয়া যেন এক ‘ডিজিটাল অন্ধকারের’ জীবন্ত উদাহরণ।