২৫ শতাংশ ভোটেই কি বদলে যাবে বাংলার ভাগ্য? কমিশনের বেনজির নির্দেশে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি

টার্গেট বাংলা? ভোট ঘোষণার মাত্র ৭২ ঘণ্টার মধ্যে রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ স্তরে ব্যাপক রদবদল ঘটিয়ে শোরগোল ফেলে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্র সচিব থেকে শুরু করে ৪৩ জন হেভিওয়েট আমলা ও পুলিশ কর্তাকে সরিয়ে দেওয়ার উত্তাপ কমতে না কমতেই এবার পুনর্নির্বাচন নিয়ে বিস্ফোরক গাইডলাইন আনল কমিশন।
সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, এবার কোনও বুথে ভোটার কার্ড (EPIC) ছাড়া কমিশন স্বীকৃত অন্যান্য পরিচয়পত্রের মাধ্যমে ভোটদান ২৫ শতাংশ পেরিয়ে গেলেই সেখানে ফের ভোট হতে পারে। সাধারণত আধার, প্যান বা ড্রাইভিং লাইসেন্সের মতো ১২টি নথিকে বৈধ বলে মান্যতা দিলেও, এবার সেগুলোকে ‘ত্রুটি’র আওতায় আনছে কমিশন। নিয়ম অনুযায়ী, এমন বুথগুলোর ‘১৭ এ’ ফর্ম পৃথক স্ট্রং রুমে রাখা হবে এবং ভিডিওগ্রাফির মাধ্যমে স্ক্রুটিনি শেষে নেওয়া হবে পুনর্নির্বাচনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।
একদিকে যখন কমিশন দাবি করছে রাজ্যের ১০০ শতাংশ ভোটারের কাছেই ভোটার কার্ড পৌঁছে দেওয়া হয়েছে, তখন বিশেষজ্ঞ মহলের প্রশ্ন— কমিশন নিজেই যে ১২টি নথিকে বৈধতা দিল, সেগুলোর ব্যবহার বাড়লে কেন বুথ ‘অস্বাভাবিক’ বলে চিহ্নিত হবে? বদলি আর নজিরবিহীন বাহিনী মোতায়েনের পর কমিশনের এই নয়া প্যাঁচ ঘিরে এখন সরগরম বাংলার রাজনৈতিক ময়দান।