৩ বছর পর মণিপুরে কি সত্যিই শান্তির সূচনা? মুখ্যমন্ত্রীর কুকি-জো বৈঠকে বাড়ছে জল্পনা

৩ বছর পর মণিপুরে কি সত্যিই শান্তির সূচনা? মুখ্যমন্ত্রীর কুকি-জো বৈঠকে বাড়ছে জল্পনা

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরেও রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির সম্ভাবনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র জল্পনা শুরু হয়েছে। ভোটার তালিকা সংক্রান্ত আইনি জটিলতা বা সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপের ফলে নির্বাচন পিছিয়ে গেলে কেন্দ্রীয় শাসন অবশ্যম্ভাবী হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের মাধ্যমে জনমত গঠনের প্রচেষ্টা এবং শাসকদলের ওপর চাপ সৃষ্টির কৌশলও আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে।

বর্তমানে অ-বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে সরাসরি ৩৫৬ ধারা প্রয়োগ না করেও রাজ্যপালদের ভূমিকা, ইডি ও সিবিআইয়ের অতিসক্রিয়তা এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতির মাধ্যমে পরোক্ষ নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার অভিযোগ উঠছে। বিশেষ করে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা এবং রাজ্য প্রশাসনের ওপর দিল্লির খবরদারি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা। ভোটার তালিকা সংশোধন ও আধিকারিকদের বদলি নিয়ে কমিশনের সিদ্ধান্তগুলো কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্কের টানাপোড়েনকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।

রাজ্যপালদের মাধ্যমে বিধানসভার বিলে বাধা দান এবং রাজ্য সরকারের কাজে অসহযোগিতা করার বিষয়টি এখন প্রশাসনিক অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। এছাড়া জিএসটি বন্টন ও সেস আদায়ের ক্ষেত্রে রাজ্যের আর্থিক ক্ষমতা খর্ব করার অভিযোগও দীর্ঘদিনের। সাম্প্রতিককালে খোদ রাষ্ট্রপতির প্রশাসনিক সফর ও মন্তব্যকে কেন্দ্র করে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা ভারতের যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামোয় কেন্দ্রের ক্রমবর্ধমান প্রভাব ও সাংবিধানিক পদের নিরপেক্ষতা নিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *