পিরিয়ড মিস হওয়া কি বড় কোনো রোগের লক্ষণ? জানুন পিরিয়ড নিয়মিত করার অব্যর্থ কৌশল!

নারীদের মাসিক চক্র সাধারণত ২১ থেকে ৩৫ দিনের হয়ে থাকে, তবে জীবনযাত্রার অনিয়ম বা মানসিক চাপের কারণে এতে হেরফের হতে পারে। অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি, হরমোনজনিত সমস্যা যেমন থাইরয়েড বা পিসিওএস এবং অপর্যাপ্ত ঘুম মাসিক দেরিতে হওয়ার প্রধান কারণ। এছাড়া যৌন জীবনে সক্রিয় নারীদের ক্ষেত্রে পিরিয়ড মিস হওয়া গর্ভধারণের প্রাথমিক সংকেত হতে পারে। তাই সামান্য বিলম্ব হলেই আতঙ্কিত না হয়ে শান্ত থাকাই শ্রেয়।
সুস্থ থাকতে পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ, পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং নিয়মিত হালকা ব্যায়ামের অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি। তবে যদি টানা ২-৩ মাস মাসিক বন্ধ থাকে বা অসহ্য পেটে ব্যথা হয়, তবে ঘরোয়া টোটকার ভরসায় না থেকে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। মনে রাখবেন, বিশেষজ্ঞের অনুমতি ছাড়া হরমোনের ওষুধ খাওয়া শরীরের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। সচেতন জীবনযাপনই পারে এই শারীরিক জটিলতা থেকে মুক্তি দিতে।