জলের পাত্রে দেখা দিলেন নাগদেবতা, স্বপ্নে পাওয়া নির্দেশে বদলে গেল দম্পতির জীবন

মধ্যপ্রদেশের খণ্ডওয়ায় নাগদেবতা বা ভিলটদেবের এক অলৌকিক মহিমা ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। প্রায় ২৮ বছর আগে দীনদয়াল পুরমের বাসিন্দা সন্তোষ রাঠোর ও তাঁর স্ত্রী সন্ধ্যার ঘরের রান্নাঘরে রাখা একটি জলের পাত্রে সুক্ষ্ম রূপে নাগদেবতা প্রথম দেখা দেন। এরপর স্বপ্নে স্বপ্নাদেশ পেয়ে এবং পণ্ডিতদের পরামর্শ মেনে ওই দম্পতি তাঁদের বাড়ির প্রাঙ্গণেই ভিলটদেবের একটি মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। দম্পতির বিশ্বাস, স্বয়ং মহাদেবের গলার অলঙ্কার এই নাগদেবতা তাঁদের সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবেই বাড়িতে ঠাঁই নিয়েছেন।
বর্তমানে এই মন্দিরটি স্থানীয় মানুষের কাছে গভীর আস্থার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। প্রতি বছর মাঘ মাসের দ্বিতীয়া তিথিতে ধুমধাম করে পালন করা হয় এই বিগ্রহের প্রাকট্য উৎসব। এছাড়া নাগপঞ্চমীর দিন মন্দিরে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায় এবং কয়েক হাজার ভক্তকে অন্নকূট বা প্রসাদ বিতরণ করা হয়। দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে চলা এই পুজো ও বিশ্বাসের ধারা বর্তমানে খণ্ডওয়ার মানুষের কাছে অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হয়ে উঠেছে।