দ্বিতীয় বিয়েতে পাত্রের মধ্যে কোন গুণগুলো খুঁজছেন ডিভোর্সী মহিলারা? জানাল সমীক্ষা

বর্তমানে বিবাহবিচ্ছেদ মানেই জীবনের শেষ নয়, বরং এক নতুন শুরুর ইঙ্গিত। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, দ্বিতীয়বার জীবনসঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রে ভারতীয় মহিলারা এখন অনেক বেশি সচেতন এবং বাস্তববাদী। ২৭ থেকে ৪০ বছর বয়সী প্রায় ৬ হাজার মানুষের ওপর করা এই সমীক্ষায় উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর কিছু তথ্য।
মানসিক নৈকট্যই আসল চাবিকাঠি
সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী অধিকাংশ মহিলাই জানিয়েছেন, পার্টনারের ‘ইমোশনাল অ্যাভেইলিবিলিটি’ বা মানসিক উপস্থিতি তাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম বিয়ের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে তারা এখন এমন সঙ্গী খুঁজছেন, যিনি মনের কথা বুঝবেন এবং বিপদে পাশে দাঁড়াবেন। পাথরের মতো ঠান্ডা বা আবেগহীন ব্যবহার এখন আর মহিলারা মেনে নিতে রাজি নন।
স্বচ্ছতা ও আর্থিক সততা
টাকা পয়সা নিয়ে রাখঢাক করা বা সামর্থ্যের বাইরে গিয়ে লোক দেখানো খরচ করা পুরুষদের থেকে দূরে থাকছেন ডিভোর্সী মহিলারা। তারা এমন একজন সঙ্গী চাইছেন যিনি নিজের আর্থিক অবস্থা নিয়ে সৎ থাকবেন। এখানে লক্ষ্য দামী উপহার নয়, বরং একটি স্বচ্ছ এবং নিরাপদ ভবিষ্যৎ।
যোগাযোগ ও আত্মসম্মান
কথোপকথনের অভাব বা সাইলেন্ট ট্রিটমেন্টকে মহিলারা এখন সম্পর্কের জন্য বিষ মনে করছেন। এছাড়া আত্মসম্মান এবং মর্যাদার প্রশ্নে তারা আপসহীন। তাদের মতে, যে পুরুষ নারীকে যথাযথ সম্মান দিতে জানেন না, তার সঙ্গে নতুন করে জীবন গড়ার কোনো প্রশ্নই ওঠে না।
এক কথায়, পুরনো ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে দ্বিতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে মহিলারা এখন সমঝোতার চেয়ে মানসিক শান্তি এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন।