নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ, দিল্লিতে কালো পোশাকে প্রতিবাদে মমতা ও অভিষেক

নির্বাচন কমিশনের বিভিন্ন সিদ্ধান্তে সাধারণ মানুষের অধিকার এবং সরকারি কর্মীদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে। মুখ্যমন্ত্রীর এই প্রতিবাদের ফলে জাতীয় স্তরে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে আলোচনার সুযোগ তৈরি হলো। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে এই পদক্ষেপ আসলে সাধারণ নাগরিকের ন্যায়বিচার পাওয়ার দাবিকে আরও জোরালো করল।
দিল্লিতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে কালো পোশাকে হাজির হয়ে প্রতিবাদ জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন কোচবিহারের শীতলকুচি (SIR) এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচটি পরিবার এবং মৃত তিন বিএলও-র (BLO) পরিজনরা। কমিশনের ‘বৈষম্যমূলক’ আচরণের প্রতিবাদ জানাতেই এদিন সবাই প্রতিকী হিসেবে কালো শাল জড়িয়ে সেখানে যান।
তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে সরাসরি অভিযোগ করা হয়েছে যে, নির্বাচন কমিশন বর্তমানে অত্যন্ত পক্ষপাতদুষ্ট এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করছে। তাদের দাবি, কমিশন কোনো কোনো ক্ষেত্রে স্বেচ্ছাচারী সিদ্ধান্ত নিচ্ছে যা সাধারণ মানুষের স্বার্থবিরোধী। বিশেষ করে ভোটের কাজে যুক্ত কর্মীদের নিরাপত্তা এবং ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণের প্রশ্নে কমিশনের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী।
প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা বজায় রাখা নির্বাচন কমিশনের প্রধান দায়িত্ব হলেও বর্তমানে সেই স্বচ্ছতা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠে গেল। এই সংঘাত আগামী দিনে দেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় কোনো বড় বদল আনে কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।