জোটের রাজনীতিতে কি এবার ধর্মীয় বাধা? নওশাদ-হুমায়ুন সমীকরণ নিয়ে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি!

নিউজ ডেস্ক : সাধারণ মানুষের মনে এখন একটাই প্রশ্ন—নেতারা মন্দির বা মসজিদ বানালে কি জোট হবে না? ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি সরাসরি বলছেন, ব্যক্তিগত উপাসনা বা ধর্মীয় স্থাপত্য নির্মাণ কখনও রাজনৈতিক জোটের পথে অন্তরায় হতে পারে না। বামপন্থীরা নাস্তিক হতে পারেন, কিন্তু কংগ্রেস বা অন্যান্য দল কি ধর্মীয় কাজ থেকে দূরে? এই দোলাচলে জোট ভেস্তে গেলে শেষমেশ কি সাধারণ মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ও ঐক্যই বড় ঝুঁকির মুখে পড়বে না?
নওশাদ মনে করেন, কেউ মসজিদ গড়লে তাকে সঙ্গে রাখা যাবে না, এমন শর্ত অবাস্তব। ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর নিজের অবস্থান সংশোধন করায় এখন আলোচনার পথ খোলা। বাম ও কংগ্রেস নেতৃত্বের কাছে ইতিমধ্যেই লিখিত প্রস্তাব পাঠিয়েছে আইএসএফ। এখন দেখার, এই ধর্মীয় বিতর্কের ঊর্ধ্বে উঠে বিরোধী দলগুলো সাধারণ মানুষের স্বার্থে একজোট হতে পারে কি না। অন্যথায়, জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয় ও সাধারণ ভোটারদের বিভ্রান্তি আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।