মায়ের শেষ ইচ্ছাপূরণ করায় জেল? পুলিশের এই অতি সক্রিয়তা কি সাধারণ মানুষের হেনস্থার কারণ নয়?

মায়ের শেষ ইচ্ছাপূরণ করায় জেল? পুলিশের এই অতি সক্রিয়তা কি সাধারণ মানুষের হেনস্থার কারণ নয়?

নিউজ ডেস্ক: মায়ের মরণোত্তর চক্ষুদান কি তবে অপরাধ? বৈধ নথি থাকা সত্ত্বেও সমাজকর্মী আমিরচাঁদ শেখকে তিন দিন জেলে কাটানোয় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আদালত। পুলিশ কেন সঠিক নথিপত্র না দেখে সরাসরি গ্রেফতারিতে গেল, তা নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছেন বিচারক। এমন হয়রানি সাধারণ মানুষের সামাজিক ও মানবিক উদ্যোগে বাধা সৃষ্টি করবে বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

শেষমেশ আইনি লড়াইয়ে জয় হলো সত্যের; আদালত চক্ষুদানের সেই বৈধ নথিকে মান্যতা দিয়ে আমিরচাঁদের জামিন মঞ্জুর করেছে। গ্রামের একাংশের ভুল তথ্যে কান দিয়ে এবং কোনো যাচাই ছাড়াই পরিবারের সদস্যদের আটক করে পুলিশ যে হেনস্থা করেছে, তার দায় কে নেবে—আদালতের এই প্রশ্ন এখন পুলিশ প্রশাসনের অস্বস্তি বাড়িয়ে দিয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *