দিল্লি কি তবে বিশেষ বন্ধু থাকছে না ভারতের প্রতি তারেক রহমানের বার্তায় জল্পনা তুঙ্গে

দিল্লি কি তবে বিশেষ বন্ধু থাকছে না ভারতের প্রতি তারেক রহমানের বার্তায় জল্পনা তুঙ্গে

বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনে ঐতিহাসিক জয়ের পর হবু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পষ্ট করেছেন যে তাঁর বিদেশনীতির মূল ভিত্তি হবে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’। ১৭ বছরের নির্বাসন কাটিয়ে দেশে ফিরে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর তিনি জানান, কোনো নির্দিষ্ট দেশের প্রতি অনুগত না থেকে বরং ভারত, চীন ও পাকিস্তানের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখাই হবে নতুন সরকারের লক্ষ্য। পূর্ববর্তী সরকারের ‘সোনালী অধ্যায়’ পেরিয়ে ঢাকা এখন দিল্লির সঙ্গে সমমর্যাদার ভিত্তিতে সম্পর্ক পুনর্গঠনে আগ্রহী।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ইতিবাচক সাড়া দিয়ে ইতিমধ্যেই ফোনে তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং প্রগতিশীল বাংলাদেশের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। শেখ হাসিনা পরবর্তী জমানায় দ্বিপাক্ষিক টানাপোড়েন কমাতে দুই দেশই এখন সক্রিয় যোগাযোগ শুরু করেছে। বিশেষত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় তৈরি হওয়া দূরত্ব ঘুচিয়ে তারেক রহমানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে মোদীর সম্ভাব্য উপস্থিতি দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে এক নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ভারত এখন বিএনপিকে জামায়াতের তুলনায় অধিকতর গণতান্ত্রিক বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *