সংখ্যালঘু ভোট ব্যাংকে ধস নামার আশঙ্কায় দুশ্চিন্তায় তৃণমূল শিবির

আসন্ন ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনে প্রধান চ্যালেঞ্জ হতে চলেছে দীর্ঘ দেড় দশকের অটুট সংখ্যালঘু ভোট ব্যাংক রক্ষা করা। গত নির্বাচনে ১৪৬টি সংখ্যালঘু প্রধান আসনের মধ্যে ১৩১টিতে তৃণমূল জিতলেও, এবার আইএসএফ, মিম এবং হুমায়ুন কবীরের জনতা উন্নয়ন পার্টির মতো একাধিক শক্তি ভোট ভাগ করতে ময়দানে নেমেছে। বিশেষ করে মালদহ, মুর্শিদাবাদ ও উত্তর দিনাজপুরে বাম-কংগ্রেসের সক্রিয়তা শাসকদলের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নওশাদ সিদ্দিকির ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা এবং বিহার সীমান্ত দিয়ে আসাদউদ্দিন ওয়াইসির দলের প্রবেশ তৃণমূলের নিশ্চিত জয়ের সমীকরণ বদলে দিতে পারে। খোদ সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরীও সংখ্যালঘু অংশে ক্ষোভের কথা পরোক্ষভাবে স্বীকার করেছেন। একদিকে বিজেপি যখন হিন্দু ভোট একজোট করার কৌশলে শান দিচ্ছে, তখন সংখ্যালঘু ভোট রক্ষা করে নিজেদের ‘পুঁজি’ অটুট রাখাই এখন ঘাসফুল শিবিরের জন্য অ্যাসিড টেস্ট।