কত কোটি টাকার মালিক তারেক রহমান? ১৭ বছর পর দেশের মসনদে বসার আগে সামনে এল সম্পত্তির চমকে দেওয়া তথ্য

দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতির আঙিনায় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে চলেছেন তারেক রহমান। বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর নাম নিয়ে যখন দেশজুড়ে প্রবল চর্চা, ঠিক তখনই প্রকাশ্যে এল তাঁর এবং তাঁর পরিবারের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির চাঞ্চল্যকর খতিয়ান।
তারেক রহমানের শিক্ষাজীবন ও রাজনৈতিক উত্থান
১৯৬৫ সালের ২০ নভেম্বর এক সম্ভ্রান্ত রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন তারেক রহমান। উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগে ভর্তি হয়েছিলেন এবং পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগেও পড়াশোনা শুরু করেন। তবে রাজনীতির টানে হোক বা ব্যক্তিগত কারণে, দ্বিতীয় বর্ষেই তিনি প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনার পাঠ চুকিয়ে দেন। কিন্তু সেই তরুণ বয়সেই যে নেতৃত্বের বীজ তাঁর মধ্যে বপন করা হয়েছিল, তা আজ তাঁকে দেশের শীর্ষ পদের দাবিদার করে তুলেছে।
হলফনামায় সম্পত্তির হিসাব যা বলছে
নির্বাচনী হলফনামা অনুযায়ী তারেক রহমানের মোট সম্পত্তির পরিমাণ ১ কোটি ৯৭ লক্ষ টাকা। শুনলে অবাক লাগলেও এটাই সরকারি তথ্য। এই বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির বিপরীতে তাঁর বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে মাত্র ৬ লক্ষ ৭৬ হাজার টাকা। তাঁর বিনিয়োগের তালিকায় রয়েছে ব্যাংকের মোটা অঙ্কের আমানত, বিভিন্ন কো ম্পা নির শেয়ার এবং ফিক্সড ডিপোজিট। অর্থাৎ, সঞ্চিত অর্থের ওপর ভিত্তি করেই তাঁর আর্থিক ভিত্তি দাঁড়িয়ে আছে।
স্ত্রী জুবাইদা রহমানের আয় ও সম্পদ
তারেক রহমানের চেয়ে তাঁর স্ত্রী, পেশায় চিকিৎসক জুবাইদা রহমানের বার্ষিক আয় তুলনামূলকভাবে অনেকটাই বেশি। সরকারি তথ্য বলছে, ডা. জুবাইদা রহমানের বার্ষিক আয় ৩৫ লক্ষ ৬১ হাজার টাকা। তাঁর নামে থাকা মোট সম্পত্তির পরিমাণ ১ কোটি ৫ লক্ষ টাকা।
দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর দেশের শাসনভার গ্রহণ করার আগে তারেক রহমানের এই ব্যক্তিগত ও আর্থিক খতিয়ান স্বাভাবিকভাবেই জনমনে কৌতূহল সৃষ্টি করেছে। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, হলফনামার এই পরিসংখ্যানের বাইরে আগামী দিনে দেশের অর্থনীতি ও রাজনীতিতে তিনি কী পরিবর্তন আনেন, এখন সেটাই দেখার বিষয়।