মহা শিবরাত্রি ২০২৬ এক রাতেই ফিরবে ভাগ্যের চাকা! জেনে নিন দারিদ্র্য মুক্তি ও সাফল্যের সেই অলৌকিক প্রতিকার

আসন্ন ফাল্গুন মাসের চতুর্দশী তিথিতে মহাদেবের আশীর্বাদে বদলে যেতে পারে আপনার জীবন। ২০২৬ সালের মহা শিবরাত্রিতে শিব ও শক্তির মিলনক্ষণে তৈরি হচ্ছে এক দুর্লভ মহাজাগতিক সংযোগ। শাস্ত্রীয় মতে, এই বিশেষ রাতে নিষ্ঠাভরে শিবলিঙ্গে অভিষেক করলে দীর্ঘদিনের নেতিবাচক কর্মফল মুছে গিয়ে খুলে যায় উন্নতির হাজারো পথ।
সমৃদ্ধি ও সাফল্যের বিশেষ আচার
পেশাগত বাধা কাটাতে এবং ব্যবসায়িক শ্রীবৃদ্ধি ঘটাতে এদিন সূর্যোদয়ের আগে পবিত্র স্নান সেরে শিবলিঙ্গে দুধ, মধু ও গঙ্গাজল অর্পণ করুন। বৈদিক শাস্ত্র অনুযায়ী, বিল্বপত্র বা বেলপাতা নিবেদন করার সময় ‘ওঁ নমঃ শিবায়’ মন্ত্র জপ করলে দীর্ঘদিনের অপূর্ণ ইচ্ছা পূরণ হয়। যারা দীর্ঘকাল ধরে আর্থিক অনটনে ভুগছেন, তারা মহাদেবের কৃপা পেতে সাদা ফুল ও চন্দন ব্যবহারের মাধ্যমে বিশেষ পুজো দিতে পারেন।
বাধা কাটাতে মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্রের শক্তি
শিবরাত্রির রাত ধ্যানের জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ সময়। এদিন রাতে ১০৮ বার মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র পাঠ করলে সুস্বাস্থ্য বজায় থাকে এবং জীবনের সমস্ত আকস্মিক বাধা দূর হয়। মনে করা হয়, শিবরাত্রির চার প্রহরের পুজোয় এই মন্ত্রের কম্পন শরীরের প্রাণশক্তিকে পুনরুজ্জীবিত করতে সক্ষম।
পুণ্য অর্জনে যা করবেন এবং যা বর্জন করবেন
আধ্যাত্মিক ফল লাভের জন্য এদিন উপবাস রাখা অত্যন্ত শুভ। আমিষ আহার এবং যেকোনো প্রকার নেশাদ্রব্য থেকে দূরে থাকাই বাঞ্ছনীয়। তিল বা যবের মতো শস্য অথবা দুঃস্থদের বস্ত্র দান করলে বহুগুণ পুণ্য অর্জিত হয়। আপনি যদি মনের মতো জীবনসঙ্গী বা কর্মক্ষেত্রে স্থায়িত্ব খুঁজে থাকেন, তবে ভক্তিভরে দেবাদিদেবের আরাধনা করাই জীবনের মোড় ঘোরানোর সেরা সুযোগ।