মহাশিবরাত্রিতে ইউটিউবে তুফান তুললেন হাসরাজ রঘুবংশী, ১৭ কোটি পার করল শিব ভজন

আধ্যাত্মিক সংগীতের জগতে ফের নিজের আধিপত্য প্রমাণ করলেন ‘বাবা’ নামে পরিচিত হাসরাজ রঘুবংশী। ২০২৬-এর মহাশিবরাত্রির পুণ্যলগ্নে তাঁর জনপ্রিয় গান ‘শিব কৈলাশোঁ কে বাসী’ ইউটিউবে ১৭১ মিলিয়ন বা ১৭ কোটিরও বেশি ভিউয়ের মাইলফলক স্পর্শ করেছে। হিমাচল প্রদেশের পাহাড়ি লোকগান এবং আধ্যাত্মিক সুরের এক অনন্য মিশেলে তৈরি এই ভজনটি বর্তমানে বিশ্বজুড়ে শিবভক্তদের কাছে এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে।
‘শিব কৈলাশোঁ কে বাসী’র জাদুতে মুগ্ধ নেটদুনিয়া
কয়েক বছর আগে মুক্তি পেলেও এই গানটির আবেদন আজও অমলিন। বর্তমানের চড়া সুরের গানের ভিড়ে হাসরাজ রঘুবংশীর শান্ত এবং ধ্যানমগ্ন কণ্ঠ শ্রোতাদের মানসিকভাবে হিমালয়ের রহস্যময় শৃঙ্গে নিয়ে যায়। ভক্তদের মতে, এই গানটি কেবল একটি সুর নয়, বরং এক প্রকার ‘ঐশ্বরিক অনুভূতি’ যা মনকে শান্ত করে। বিশেষ করে শ্রাবণ মাস এবং মহাশিবরাত্রির সময় এই গানের জনপ্রিয়তা কয়েক গুণ বেড়ে যায়।
লোকসংগীত থেকে গ্লোবাল সেনসেশন
হাসরাজ রঘুবংশীর পথচলা শুরু হয়েছিল হিমাচলের এক সাধারণ পরিবার থেকে। আজ ইউটিউবে তাঁর সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা ১৪ কোটির গণ্ডি ছাড়িয়েছে। তাঁর মেগা-হিট গান ‘মেরা ভোলা হ্যায় ভান্ডারি’ ইতিমধ্যেই ৩১ কোটির বেশি ভিউ পেয়েছে। তবে যারা খাঁটি পাহাড়ি সুর পছন্দ করেন, তাদের হৃদয়ে ‘শিব কৈলাশোঁ কে বাসী’ একটি বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে। আজকের এই বিশেষ রবিবারে গানটি সমস্ত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ট্রেন্ডিং তালিকায় রয়েছে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় কয়েক হাজার ইউজার এই গানটি ব্যবহার করে রিল তৈরি করছেন।
আধ্যাত্মিকতায় আধুনিকতার ছোঁয়া
বর্তমান প্রজন্মের কাছে আধ্যাত্মিকতাকে জনপ্রিয় করে তোলার নেপথ্যে হাসরাজ রঘুবংশীর অবদান অনস্বীকার্য। পপ এবং রক মিউজিকের যুগেও যে বিশুদ্ধ ভক্তিগীতি কোটি কোটি মানুষের মন জয় করতে পারে, ১৭১ মিলিয়ন ভিউ তারই প্রমাণ। মহাশিবরাত্রির আবহে বর্তমানে ভক্তিগীতি বিভাগে সবথেকে বেশি সার্চ করা শিল্পী হিসেবে শীর্ষে রয়েছেন হাসরাজ।