শিবরাত্রিতে মোদীর শুভেচ্ছা আর মমতার বড় উপহার, বাংলার শিবতীর্থগুলিতে আমূল বদল

মহা শিবরাত্রির পুণ্য লগ্নে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একদিকে প্রধানমন্ত্রী যখন বিশ্বের শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য প্রার্থনা করেছেন, অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী এই বিশেষ দিনটিকে বেছে নিলেন রাজ্যের শৈব তীর্থগুলোর ভোলবদলের খতিয়ান তুলে ধরতে। বাংলার বিখ্যাত শিব মন্দিরগুলোর উন্নয়নে রাজ্য সরকারের নেওয়া একগুচ্ছ পদক্ষেপের কথা আজ জনসমক্ষে আনেন তিনি।
ভোলবদল হচ্ছে তারকেশ্বর থেকে জলপেশ
মুখ্যমন্ত্রী জানান, তারকেশ্বর, বক্রেশ্বর এবং জলপেশ-এর মতো ঐতিহাসিক ও পবিত্র তীর্থস্থানগুলোতে ব্যাপক সংস্কার কাজ চালানো হয়েছে। কেবল পরিকাঠামো নয়, ভক্তদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে মন্দির সংলগ্ন ঘাটগুলোর আধুনিকীকরণ এবং যাতায়াতের সুব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। তীর্থযাত্রীদের অভিজ্ঞতাকে আরও সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তোলাই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।
লক্ষ্য এবার ‘শৈব সার্কিট’
বাংলার প্রাচীন সংস্কৃতি ও স্থাপত্য রক্ষা করাকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, রাজ্যের সমস্ত প্রধান শিব মন্দিরগুলোকে একই সুতোয় গেঁথে একটি পূর্ণাঙ্গ ‘শৈব সার্কিট’ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। ২০২৬ সালের এই বিশেষ দিনে আধ্যাত্মিক পর্যটনকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার শোনা গেল মুখ্যমন্ত্রীর কণ্ঠে। এই উদ্যোগ সফল হলে পর্যটন মানচিত্রে পশ্চিমবঙ্গ এক অনন্য স্থান দখল করবে বলে আশা করা হচ্ছে।