মহাশিবরাত্রিতে কেবল এই কয়েকটি উপাচারেই ফিরবে আপনার ভাগ্য

মহাশিবরাত্রিতে কেবল এই কয়েকটি উপাচারেই ফিরবে আপনার ভাগ্য

মহাশিবরাত্রি কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, বরং আধ্যাত্মিক এবং জ্যোতিষশাস্ত্রীয় দিক থেকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি তিথি। বছরের এই বিশেষ দিনে গ্রহ-নক্ষত্রের অবস্থান এমন এক সংযোগ তৈরি করে, যা মানুষের জীবনের জটিল বাধাগুলো দূর করতে সহায়ক হতে পারে। জ্যোতিষশাস্ত্রে মহাশিবরাত্রিকে কেন্দ্র করে বেশ কিছু বিশেষ উপাচারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যা ভক্তিভরে পালন করলে অভাবনীয় সুফল পাওয়া যায় বলে বিশ্বাস।

দীর্ঘদিনের ঋণ থেকে মুক্তির পথ

আর্থিক অনটন বা ঋণের বোঝায় যারা জর্জরিত, জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী তাদের জন্য মহাশিবরাত্রির দিনটি অত্যন্ত শুভ। মনে করা হয়, এই বিশেষ তিথিতে শিবলিঙ্গে আখের রস দিয়ে অভিষেক করলে মহাদেবের বিশেষ কৃপা লাভ করা যায়। এই উপাচার পালন করলে অর্থাগমনের পথ সুগম হয় এবং সংসারের যাবতীয় আর্থিক বাধা বা ঋণের জাল থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব হয়।

মানসিক শান্তি ও গ্রহদোষ খণ্ডন

বর্তমান সময়ের অস্থির জীবনে মানসিক শান্তি বজায় রাখা সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ। যদি আপনার জন্মকুণ্ডলীতে শনি বা চন্দ্রের অশুভ প্রভাব থাকে, তবে মহাশিবরাত্রির দিনে কাঁচা দুধের সঙ্গে সামান্য কালো তিল মিশিয়ে মহাদেবের মাথায় অর্পণ করুন। এই বিশেষ অভিষেক মনকে শান্ত রাখে এবং মানসিক দুশ্চিন্তা দূর করার পাশাপাশি গ্রহের অশুভ প্রভাব থেকে জাতককে রক্ষা করে।

দাম্পত্য কলহ মিটিয়ে সুখের সন্ধান

সংসারে অশান্তি বা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য দূর করতে মহাশিবরাত্রির বিশেষ মহিমা রয়েছে। যদি বিবাহিত জীবনে বনিবনার অভাব ঘটে, তবে এই দিনে শিব ও পার্বতীকে একসঙ্গে হলুদ এবং সিঁদুর অর্পণ করার বিধান রয়েছে। মনে করা হয়, জগৎপিতা ও জগৎমাতার যুগল মূর্তির আশীর্বাদ নিলে দাম্পত্য সম্পর্কের তিক্ততা দূর হয় এবং পারিবারিক জীবনে অনাবিল সুখ ও শান্তি ফিরে আসে।

ভক্তি ও শুদ্ধাচারে এই ছোট ছোট পদক্ষেপগুলো আপনার জীবনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *