কেন কখনও পুরোপুরি সন্তুষ্ট হতে পারেন না প্রধানমন্ত্রী মোদী? নিজেই ফাঁস করলেন সেই বড় কারণ

নয়াদিল্লি: সংস্কারের এক্সপ্রেস গতিতে ছুটছে দেশ, তবুও কেন এক মুহূর্ত শান্ত হয়ে বসতে রাজি নন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী? সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের স্বভাবের এক অজানা দিক তুলে ধরলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, জনসাধারণের সেবায় নিয়োজিত থাকলে মনের ভেতর এক ধরণের ‘ইতিবাচক অস্থিরতা’ থাকা অত্যন্ত জরুরি। আর এই অতৃপ্তিই তাঁকে প্রতিনিয়ত আরও ভালো কাজ করার অনুপ্রেরণা দেয়।
পিটিআই-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি আমার স্বভাবগত কারণেই কখনও পুরোপুরি সন্তুষ্ট হতে পারি না। দেশের মানুষের জন্য সবসময় আরও ভালো কিছু করার ইচ্ছা আমার মজ্জাগত।” মোদী মনে করেন, সংস্কার বা ‘রিফর্ম’ তাঁর সরকারের দায়বদ্ধতা। গত কয়েক বছরে ছোটখাটো পরিবর্তনের বদলে ব্যবস্থায় আমূল এবং বুনিয়াদি বদল আনা হয়েছে বলেই তিনি বিশ্বাস করেন।
ভারতের বিশ্বজয়ের খতিয়ান:
- রেকর্ড গড়া বাণিজ্য চুক্তি: প্রধানমন্ত্রীর দাবি, তাঁর সরকারের আমলে ভারত বিশ্বের ৩৮টি দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA) সম্পাদন করেছে, যা একটি রেকর্ড।
- অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা: ইউপিএ আমলের থমকে থাকা আলোচনাগুলোকে পাশ কাটিয়ে বর্তমান সরকার স্পষ্ট নীতি ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জোরে বিদেশের বাজারে ভারতের বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়িয়েছে।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সমঝোতা: দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে একটি লাভজনক চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে, যা ভারতীয় কো ম্পা নিগুলোর জন্য বিশ্ববাজারের দুয়ার খুলে দিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী গর্বের সঙ্গে জানান, আজকের ভারত আর আগের মতো দোদুল্যমান নয়। শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি এবং আত্মবিশ্বাসী মনোভাবের কারণেই বিশ্বমঞ্চে ভারতের অংশীদারিত্ব এখন তুঙ্গে। তবে এত সাফল্যের পরেও মোদী থামতে নারাজ, কারণ তাঁর মতে— “সন্তুষ্টি মানেই প্রগতির সমাপ্তি।”