শরীরে থাকা জন্মদাগই বলবে আপনার গতজন্মের অজানা রহস্য

শরীরে থাকা জন্মদাগই বলবে আপনার গতজন্মের অজানা রহস্য

NEWS DESK : মানুষের শরীরের জন্মদাগ কেবল এক টুকরো পরিচিতি বা চিহ্ন নয়, বরং শাস্ত্র মতে এটি পূর্বজন্মের কর্মফল ও অভিজ্ঞতার এক অদৃশ্য দলিল। জ্যোতিষশাস্ত্রের গভীর বিশ্লেষণে দাবি করা হয়েছে যে, শরীরের নির্দিষ্ট চারটি অংশে থাকা জন্মচিহ্ন দেখে একজন ব্যক্তির অতীত জীবনের প্রকৃতি, পেশা এবং স্বভাব সম্পর্কে চমকপ্রদ তথ্য পাওয়া সম্ভব। অনেকেই জন্মান্তরে বিশ্বাস না করলেও, শাস্ত্রীয় ব্যাখ্যা অনুযায়ী এই দাগগুলো আমাদের আত্মার পুরনো যাত্রারই প্রতিফলন ঘটায়।

যাঁদের মুখে জন্মদাগ রয়েছে, তাঁদের অতীত জীবন ছিল মিশ্র অভিজ্ঞতায় ভরা। পূর্বজন্মে তাঁরা কর্মক্ষেত্রে ব্যাপক সাফল্য ও সামাজিক প্রতিষ্ঠা পেলেও ব্যক্তিগত জীবনে অত্যন্ত মানসিক কষ্টের সম্মুখীন হয়েছিলেন। বিশেষ করে অত্যধিক রাগের কারণে তাঁদের পারিবারিক সম্পর্কগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল বলে মনে করা হয়। অন্যদিকে, পায়ে জন্মদাগ থাকা ব্যক্তিরা গতজন্মে ছিলেন জন্মগত পর্যটক। তাঁরা হয়তো কোনো ভ্রমণ সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং জীবনের সিংহভাগ সময় জন্মস্থান থেকে দূরে কাটিয়েছেন। বর্তমান জীবনেও তাঁদের মধ্যে ভ্রমণের প্রতি প্রবল টান লক্ষ্য করা যায়।

হাতে থাকা জন্মদাগ নির্দেশ করে এক কঠোর পরিশ্রমী অতীতকে। এই চিহ্নধারী ব্যক্তিরা পূর্বজন্মে হাড়ভাঙা খাটুনি খাটলেও সেই তুলনায় পর্যাপ্ত সাফল্য বা প্রতিপত্তি পাননি। আবার যাঁদের কাঁধে জন্মদাগ রয়েছে, তাঁরা গতজন্মে অত্যন্ত দায়িত্বশীল ব্যক্তিত্ব ছিলেন। পরিবার থেকে সমাজ—সর্বত্রই তাঁদের ওপর অগাধ ভরসা ছিল এবং তাঁরা নিষ্ঠার সঙ্গে সেই দায়িত্ব পালন করেছিলেন। শাস্ত্র মতে, কাঁধে চিহ্ন থাকা ব্যক্তিরা অত্যন্ত বিশ্বাসযোগ্য হন এবং তাঁরা কখনও কারও সঙ্গে প্রতারণা করেন না। আপনার শরীরের এই বিশেষ চিহ্নগুলো তাই কেবল চামড়ার দাগ নয়, বরং আপনার অতীতের এক নীরব দর্পণ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *