পরমাণু যুদ্ধে প্রস্তুত জিনপিং? সিচুয়ানের গোপন ঘাঁটিতে কী লুকোচ্ছে বেজিং

পরমাণু যুদ্ধে প্রস্তুত জিনপিং? সিচুয়ানের গোপন ঘাঁটিতে কী লুকোচ্ছে বেজিং

আমেরিকার স্যাটেলাইটের চোখে ধরা পড়ল চিনের এক ভয়ংকর চক্রান্ত। ২০২২ থেকে ২০২৬ সালের গোপন উপগ্রহ চিত্র বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, চিনের সিচুয়ান প্রদেশে অত্যন্ত গোপনে পরমাণু অস্ত্রভাণ্ডার এবং পরীক্ষাগারের ব্যাপক বিস্তার ঘটানো হচ্ছে। নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক বিশেষ রিপোর্টে জানানো হয়েছে, সিচুয়ানের জিতং এলাকায় নতুন বাঙ্কার, র‍্যাম্পার্ট এবং বিপজ্জনক রাসায়নিক পাইপলাইনের এক বিশাল জাল বিছিয়েছে চিন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিকাঠামো মূলত পারমাণবিক ওয়ারহেডের বিস্ফোরণ ক্ষমতা নিখুঁত করার জন্য ব্যবহৃত উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরক পরীক্ষার ইঙ্গিত দিচ্ছে। হার্ভার্ড কেনেডি স্কুলের পদার্থবিজ্ঞানী হুই ঝাং জানিয়েছেন, ঘাতক তরঙ্গ বা শক ওয়েভ ব্যবহার করে পরমাণু জ্বালানিকে সংকুচিত করার প্রযুক্তি ঝালিয়ে নিচ্ছে বেজিং। ২০৩০ সালের মধ্যে চিনের হাতে প্রায় ১০০০টি পারমাণবিক ওয়ারহেড থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ভারতের ওপর প্রভাব:

সিচুয়ান প্রদেশের অবস্থান ভারতের হিমালয় সীমান্তের খুব কাছেই। চিনের এই পরমাণু শক্তি বৃদ্ধি ভারতের জন্য চরম উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। লাদাখ বা অরুণাচল সীমান্ত নিয়ে যখন আলোচনা চলছে, তখন চিনের এই সামরিক আস্ফালন পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। ভারত ও চিনের সম্পর্ক সম্প্রতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেও, বেজিংয়ের এই গোপন অস্ত্র সজ্জা দিল্লির ‘নো-ফার্স্ট-ইউজ’ নীতি এবং প্রতিরক্ষা কৌশলের ওপর বড় প্রশ্নচিহ্ন ঝুলিয়ে দিল।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *