মহাশিবরাত্রিতে বিশেষ উপায়ে শিবের আরাধনা করলে কাটবে বিয়ের সব বাধা

মহাশিবরাত্রিতে বিশেষ উপায়ে শিবের আরাধনা করলে কাটবে বিয়ের সব বাধা

NEWS DESK : প্রতি বছর ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে মহাশিবরাত্রি পালিত হয়। ২০২৬ সালে এই মাহেন্দ্রক্ষণ শুরু হচ্ছে ১৫ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৫টা ০৪ মিনিটে এবং শেষ হবে ১৬ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৫টা ২৪ মিনিটে। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এই বিশেষ তিথিতে নিষ্ঠাভরে মহাদেবের আরাধনা করলে বিবাহ সংক্রান্ত যাবতীয় বাধা বিপত্তি দূর হয় এবং দ্রুত বিয়ের যোগ তৈরি হয়। বিশেষ করে অবিবাহিত নারীদের জন্য এই ব্রত অত্যন্ত ফলদায়ী বলে মনে করা হয়।

পুরোহিত ও শাস্ত্রজ্ঞদের মতে, এই দিন ভোরে ব্রহ্মমুহূর্তে স্নান সেরে ব্রতের সংকল্প নিতে হবে। পুজোর সময় কালো বা ধূসর রঙের পোশাক এড়িয়ে শুভ রঙের বস্ত্র পরিধান করা বাঞ্ছনীয়। বাড়ির মন্দির বা ঠাকুরঘর গঙ্গাজল দিয়ে পবিত্র করে শিবলিঙ্গকে পরিষ্কার পাত্রে স্থাপন করতে হবে। এরপর গঙ্গাজল, দুধ, দই ও মধু দিয়ে জলাভিষেক করাই পুজোর মূল পর্ব। মহাদেবকে তুষ্ট করতে চন্দনের তিলক, বেলপাতা, ফুল এবং ধুতুরা নিবেদন করা জরুরি।

বিবাহের বাধা কাটাতে এই দিনে মা পার্বতীর চরণে সিঁদুর, চুড়ি ও আলতার মতো সোহাগ সামগ্রী অর্পণ করার বিধান রয়েছে। নৈবেদ্য হিসেবে ক্ষীর, মিছরি ও মিষ্টি নিবেদন করে ‘ওম নমঃ শিবায়’ মন্ত্র জপ এবং শিবচালিসা পাঠ করা অত্যন্ত শুভ। ১৫ ফেব্রুয়ারি রবিবার মূল পুজো অনুষ্ঠিত হলেও ব্রতভঙ্গ করতে হবে পরের দিন অর্থাৎ ১৬ ফেব্রুয়ারি। সোমবার সকাল ৭টা ০৬ মিনিট থেকে বিকেল ৩টা ৪৬ মিনিটের মধ্যে পারণ সম্পন্ন করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। নিষ্ঠাভরে এই নিয়মগুলি পালন করলে মনোবাসনা পূর্ণ হয় বলে ভক্তদের বিশ্বাস।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *