এআই ম্যাজিকে ১১ বছর পর কি ফিরবেন ছন্দা গায়েন? আল্পসে মিলল নিখোঁজ পর্বতারোহীর দেহ

নিউজ ডেস্ক: এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ছোঁয়ায় এবার আসাম্ভবও সম্ভব হতে চলেছে। দীর্ঘ ১১ বছর আগে হিমালয়ের দুর্গম ‘ইয়ালুং কাং’ শৃঙ্গে নিখোঁজ হয়েছিলেন বাংলার গর্ব ছন্দা গায়েন। বহু তল্লাশিতেও তাঁর হদিশ মেলেনি। তবে সম্প্রতি আল্পস পর্বতমালায় ঘটে যাওয়া এক ঘটনা নতুন করে আশার আলো দেখাচ্ছে। অত্যন্ত শক্তিশালী এআই-বেসড ড্রোন ব্যবহার করে উদ্ধার করা হয়েছে নিখোঁজ ইতালীয় পর্বতারোহী নিকোলা ইভালদোরের দেহ।
কীভাবে কাজ করল এই প্রযুক্তি?
হেলিকপ্টার অভিযানে যা সম্ভব হয়নি, তা করে দেখিয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। আল্পসের ১২,৬০২ ফিট উচ্চতায় নিখোঁজ হওয়া নিকোলার সন্ধানে নামানো হয়েছিল বিশেষ ড্রোন। এই ড্রোনগুলো পাহাড়ের দুর্গম প্রান্তের হাজার হাজার ছবি ও ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করে। সাধারণ চোখে যা ধরা পড়া আসাম্ভব, এআই ল্যাবে সেই রাশি রাশি তথ্য বিশ্লেষণ করে খুঁজে পাওয়া যায় একটি ছোট্ট লাল হেলমেট।
ড্রোন ক্যামেরার জিও-লোকেশন, অক্ষাংশ এবং দ্রাঘিমাংশ বিশ্লেষণ করে নিখুঁতভাবে চিহ্নিত করা হয় নিকোলার অবস্থান। সফটওয়্যারের মাধ্যমে পাহাড়ের পাথর, ঢাল বা প্লাস্টিকের টুকরো থেকে মানুষের ব্যবহার্য জিনিসকে আলাদা করে চিনে নিতে সক্ষম হয়েছে এই প্রযুক্তি।
ছন্দা গায়েনকে নিয়ে নতুন প্রত্যাশা
অপারেশনের দায়িত্বে থাকা সেভেরিও ইসোলা জানিয়েছেন, যে এলাকায় নিকোলার দেহ মিলেছে সেখানে হেলিকপ্টার পৌঁছানো ছিল আসাম্ভব। এআই প্রযুক্তির এই সাফল্যই এখন প্রশ্ন তুলছে— তবে কি একইভাবে খোঁজ মিলবে ছন্দা গায়েনের? যদিও বর্তমানে এই প্রযুক্তির খরচ অত্যন্ত বেশি, তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন প্রযুক্তির উন্নতির সাথে সাথে এর ব্যয় কমবে। আর সেদিন হয়তো পাহাড়ের কোলে হারিয়ে যাওয়া বাংলার মেয়ের দেহটিও উদ্ধার করা সম্ভব হবে।