অঢেল সম্পদ ও আর্থিক স্বাধীনতার চাবিকাঠি, মেনে চলুন উপার্জনের এই ৫টি গোপন সূত্র

অঢেল সম্পদ ও আর্থিক স্বাধীনতার চাবিকাঠি, মেনে চলুন উপার্জনের এই ৫টি গোপন সূত্র

আর্থিক স্বচ্ছলতা এবং ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বর্তমান সময়ে প্রতিটি ব্যক্তির অন্যতম লক্ষ্য। তবে কেবল কঠোর পরিশ্রম করলেই ধনী হওয়া সম্ভব নয়; এর জন্য প্রয়োজন সঠিক পরিকল্পনা ও সুশৃঙ্খল জীবনযাপন। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, সম্পদ বৃদ্ধির মূল ভিত্তি হলো উপার্জন, সঞ্চয় এবং সঠিক বিনিয়োগের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা। এই তিনটি স্তম্ভের সঠিক প্রয়োগই একজন ব্যক্তিকে প্রকৃত আর্থিক স্বাধীনতার স্বাদ দিতে পারে।

আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ‘৫০-৩০-২০’ নিয়মটি অত্যন্ত কার্যকর। এই তত্ত্ব অনুযায়ী, আপনার মোট আয়ের ৫০ শতাংশ অতি প্রয়োজনীয় খরচ, ৩০ শতাংশ শখ বা বিনোদন এবং অবশিষ্ট ২০ শতাংশ ভবিষ্যতের জন্য বিনিয়োগ করা উচিত। বিশেষ করে বেতন পাওয়ার সাথে সাথেই সেই ২০ শতাংশ টাকা অন্য একটি সঞ্চয় অ্যাকাউন্টে সরিয়ে ফেলা বা এসআইপি-র (SIP) মাধ্যমে বিনিয়োগকে স্বয়ংক্রিয় করা বুদ্ধিমানের কাজ। আয়ের পরিমাণ বাড়লেও জীবনযাত্রার মান এখনই না বাড়িয়ে বাড়তি টাকা সঞ্চয়ের পথে হাঁটাই শ্রেয়।

ঋণমুক্ত জীবন ধনী হওয়ার পথে একটি বড় ধাপ। বিশেষ করে পার্সোনাল লোন বা ক্রেডিট কার্ডের মতো উচ্চ সুদের ঋণগুলো দ্রুত পরিশোধ করার চেষ্টা করুন। প্রথমে সর্বোচ্চ সুদের হারের ঋণগুলো মিটিয়ে দিলে আর্থিক বোঝা অনেকটাই হালকা হয়। পাশাপাশি, আকস্মিক কোনো বিপদের মোকাবিলা করতে অন্তত ৬ মাসের খরচের সমান একটি ‘এমার্জেন্সি ফান্ড’ বা জরুরি তহবিল তৈরি রাখা জরুরি।

অবসর জীবনের পরিকল্পনা হিসেবে ‘৪ শতাংশ নিয়ম’ অনুসরণ করা যেতে পারে। এই নিয়ম অনুযায়ী, অবসরের প্রথম বছরে আপনার মোট জমানো তহবিলের ৪ শতাংশ খরচ করলে সেই অর্থ আগামী প্রায় ৩০ বছর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। উপার্জনের এই কৌশলগুলো মেনে চললে সাধারণ আয়েও দীর্ঘমেয়াদে বিপুল সম্পদ অর্জন করা সম্ভব।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *