যৌন নির্যাতনের মামলায় আরও বিপাকে ইউটিউবার ‘ননসেন’, ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ আদালতের

যৌন নির্যাতনের মামলায় আরও বিপাকে ইউটিউবার ‘ননসেন’, ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ আদালতের

বান্ধবীকে যৌন নির্যাতন ও খুনের হুমকির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার শমীক অধিকারী ওরফে ‘ননসেন’-এর আইনি জটিলতা আরও বাড়ল। সোমবার আলিপুর আদালতে তোলা হলে বিচারক তাঁর জেল হেফাজতের মেয়াদ আরও ১৪ দিন বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন। এর ফলে আগামী ২ মার্চ পর্যন্ত তাঁকে কারাগারেই থাকতে হচ্ছে। আদালত সূত্রে খবর, শমীকের মোবাইল ফোন থেকে প্রাপ্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য এই মামলায় নতুন মোড় এনেছে, যার ভিত্তিতে তদন্ত প্রক্রিয়া আরও জোরদার করা হয়েছে।

তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তাদের দাবি, জেরার মুখে শমীক তরুণীকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে বেহালা থানা তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণের পাশাপাশি বলপ্রয়োগ, আটকে রাখা এবং শারীরিক নির্যাতনের মতো গুরুতর ধারা যুক্ত করেছে। ঘটনার সূত্রপাত গত ২ ফেব্রুয়ারি, যখন বেহালার একটি ফ্ল্যাটে ২২ বছর বয়সি এক তরুণীকে আটকে রেখে মারধর ও যৌন নির্যাতন চালানোর অভিযোগ ওঠে। নির্যাতিতার দাবি, শমীকের বাবা-মা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকলেও তাঁরা তাঁকে উদ্ধারে এগিয়ে আসেননি।

অন্যদিকে, শমীকের পরিবারের দাবি এটি একটি ব্যক্তিগত বিবাদ ছিল এবং ধস্তাধস্তির সময় আঘাত লেগে থাকতে পারে। ঘটনার পর শমীক গা-ঢাকা দিলেও গত ৫ ফেব্রুয়ারি রাতে দমদম এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আদালত চত্বরে শমীক নিজেকে নির্দোষ দাবি করে তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে বলে জানালেও, ফরেনসিক ও ডিজিটাল তথ্যপ্রমাণ বর্তমানে তাঁর প্রতিকূলে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে ‘বাটন’ ভিডিওর জন্য পরিচিতি পাওয়া এই কন্টেন্ট ক্রিয়েটরের ভবিষ্যৎ এখন আদালতের রায়ের ওপর নির্ভরশীল।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *