আজ থেকেই শুরু হচ্ছে অগ্নি পঞ্চক, সাবধান না থাকলে হতে পারে বড় বিপদ

হিন্দু শাস্ত্রে পঞ্চক চলাকালীন যেকোনো শুভ কাজ করা নিষিদ্ধ বলে গণ্য করা হয়। বৈদিক জ্যোতিষ অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ফাল্গুন অমাবস্যার দিন থেকেই শুরু হচ্ছে এই বিশেষ ‘অग्নি পঞ্চক’। মঙ্গলবার থেকে এই সময়কাল শুরু হওয়ায় একে অগ্নি পঞ্চক বলা হচ্ছে, যা অত্যন্ত অশুভ বলে মনে করা হয়।
সময়সূচী
চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার সকাল ৯টা ০৫ মিনিট থেকে এই পঞ্চক শুরু হয়েছে। এটি শেষ হবে আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি, শনিবার সন্ধ্যা ৭টা ০৭ মিনিটে। এই পাঁচ দিন বিশেষ কিছু নিয়ম মেনে চলা জরুরি, অন্যথায় জীবনে বড় ধরনের বাধা বা বিপত্তি আসতে পারে।
কেন একে অগ্নি পঞ্চক বলা হয়?
জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে, চন্দ্র যখন কুম্ভ ও মীন রাশিতে অবস্থান করে এবং শতভিষা, পূর্ব ভাদ্রপদ, উত্তর ভাদ্রপদ ও রেবতী নক্ষত্রের ওপর দিয়ে যায়, তখন পঞ্চক লাগে। মঙ্গলবার থেকে পঞ্চক শুরু হলে তাকে ‘অগ্নি পঞ্চক’ বলা হয়। বিশ্বাস করা হয় যে, এই সময়ে আগুনের ভয় বা অগ্নিজনিত দুর্ঘটনার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়।
যে কাজগুলো ভুলেও করবেন না
পঞ্চক চলাকালীন অশুভ প্রভাব এড়াতে নিচের কাজগুলো করা থেকে বিরত থাকুন:
- কাঠ সংগ্রহ: এই সময়ে জ্বালানি কাঠ বা অন্য কোনো কাঠ সংগ্রহ করা অশুভ। এতে অগ্নিভয় বৃদ্ধি পায়।
- ছাদ ঢালাই: নতুন বাড়ির ছাদ ঢালাই করবেন না। মনে করা হয়, পঞ্চকে ছাদ ঢালাই করলে ঘরে অশান্তি ও ধনহানি ঘটে।
- বিছানা কেনা: পঞ্চক চলাকালীন নতুন খাট, পালঙ্ক বা বিছানা কেনা অশুভ বলে বিবেচিত হয়।
- অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া: যদি এই সময়ে কারো মৃত্যু হয়, তবে শাস্ত্রীয় নিয়ম মেনে মরদেহের সঙ্গে পাঁচটি পুতুল বানিয়ে দাহ করা উচিত। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, নিয়ম না মানলে পরিবারের আরও পাঁচজনের প্রাণের ঝুঁকি থেকে যায়।