অনলাইন হোটেল বুকিংয়ে জালিয়াতি রুখতে মেনে চলুন এই জরুরি সতর্কতা

অনলাইন হোটেল বুকিংয়ে জালিয়াতি রুখতে মেনে চলুন এই জরুরি সতর্কতা

স্মার্টফোনের যুগে হোটেল বুকিং অত্যন্ত সহজলভ্য হলেও এর সমান্তরালে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে ডিজিটাল প্রতারণা। অনেক ক্ষেত্রেই চটকদার বিজ্ঞাপনী ফাঁদে পা দিয়ে পর্যটকরা গন্তব্যে পৌঁছে ছবির সাথে ঘরের অমিল বা লুকানো খরচের কারণে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। আপনার আগামী ভ্রমণকে নিরাপদ ও সাশ্রয়ী করতে বুকিংয়ের আগে হোটেলের নিজস্ব ওয়েবসাইটের ছবির ওপর অন্ধবিশ্বাস না করে বিভিন্ন ট্রাভেল পোর্টালে সাধারণ গ্রাহকদের দেওয়া বাস্তব ছবি ও সাম্প্রতিক নেতিবাচক রিভিউগুলো খুঁটিয়ে দেখা জরুরি। গুগল ম্যাপের সাহায্যে হোটেলের সঠিক অবস্থান যাচাই করে নেওয়াও বুদ্ধিমানের কাজ।

প্রতারণা এড়াতে বুকিং নিশ্চিত করার আগে ‘শর্তাবলি’ এবং রিফান্ড সংক্রান্ত নিয়মগুলো গুরুত্ব সহকারে পড়ুন। অনেক সময় মূল ভাড়ার সাথে সার্ভিস চার্জ বা প্রাতরাশের খরচ যুক্ত থাকে না, যা পরে বাজেটে টান ফেলতে পারে। নিরাপদ লেনদেনের জন্য সর্বদা ‘https’ যুক্ত বিশ্বস্ত ওয়েবসাইট ব্যবহার করুন এবং সম্ভব হলে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে পেমেন্ট করুন, যা জালিয়াতি রোধে বাড়তি সুরক্ষা দেয়। সস্তায় ঘর পাওয়ার প্রলোভনে কোনো সন্দেহজনক লিঙ্কে ক্লিক না করে সরাসরি হোটেলের পোর্টালে দাম যাচাই করা এবং ফোনে কথা বলে নেওয়া সবচেয়ে নিরাপদ পদ্ধতি।

বুকিং সম্পন্ন হওয়ার পর হোটেল কর্তৃপক্ষের সাথে সরাসরি কথা বলে কনফার্মেশন নিশ্চিত করুন। ভ্রমণের সময় বুকিং ভাউচারের ডিজিটাল কপির পাশাপাশি একটি প্রিন্ট আউট সঙ্গে রাখা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ইন্টারনেটে শুধুমাত্র রেটিংয়ের ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত না নিয়ে নিজের বিচারবুদ্ধি প্রয়োগ করুন। এই ছোট ছোট সতর্কতাগুলো আপনাকে অনলাইন জালিয়াতির হাত থেকে রক্ষা করবে এবং আপনার সফরকে আনন্দদায়ক ও ঝঞ্ঝাটমুক্ত রাখতে সাহায্য করবে। অতিরিক্ত সতর্কতা হিসেবে যাতায়াতের সময় ও ট্যাক্সি ভাড়ার বিষয়টিও আগেভাগে হিসেব করে রাখা বাঞ্ছনীয়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *