আত্মসম্মান বজায় রাখতে বদলে ফেলুন নিজের এই অভ্যাসগুলি

ব্যক্তিগত জীবন হোক বা কর্মক্ষেত্র, পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া জীবনেরই অঙ্গ। তবে এই মানিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়ার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকে আপনার আত্মসম্মান। প্রতিকূল পরিস্থিতিতে আপনি কতটা মেরুদণ্ড সোজা রেখে চলতে পারছেন বা কত সহজে বশ্যতা স্বীকার করছেন, তা আপনার ব্যক্তিত্বকেই সংজ্ঞায়িত করে। নিজের রুটিন বিসর্জন দিয়ে অন্যকে খুশি করার চেষ্টা বা সর্বদা নিজেকে অন্যের সাথে তুলনা করা আদতে নিজের প্রতিই এক ধরনের অবিচার।
মনোবিদদের মতে, বিনা দোষে বারবার ক্ষমা চাওয়া বা অন্যের অপমান মুখ বুজে সহ্য করা আত্মবিশ্বাসের অভাবকেই প্রকাশ করে। শৈশবের কোনো নেতিবাচক অভিজ্ঞতা থেকে এই ধরনের প্রবণতা তৈরি হতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে হীনমন্যতার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অন্যায় না করলে যেমন দুঃখপ্রকাশ করা উচিত নয়, তেমনি নিজের প্রয়োজনীয় কাজ বা খাদ্যাভ্যাস উপেক্ষা করে অন্যকে সময় দেওয়াও আত্মমর্যাদাহানির লক্ষণ।
নিজের ব্যক্তিত্বকে সুদৃঢ় করতে হলে সবার আগে নিজেকে ভালোবাসতে শিখুন। নিজের সীমাবদ্ধতা ও সাফল্যকে গ্রহণ করে হীনমন্যতা থেকে বেরিয়ে আসা জরুরি। মনে রাখবেন, অন্যের চোখে নিজের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর চেয়ে নিজের চোখে নিজের সম্মান বজায় রাখা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই আত্মসম্মান বিসর্জন দিয়ে কাউকে খুশি করার অভ্যাস আজই ত্যাগ করুন এবং নিজের মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নশীল হন।