পোষ্য হেনরিকে ফিরে পেতে মরিয়া মহুয়া মৈত্র, দিল্লি হাইকোর্টের কড়া নোটিস জয় অনন্ত দেহাদ্রাইকে

ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন এবার গড়াল আদালত কক্ষের অন্দরে। নিজের প্রিয় পোষ্য রটওয়েলার ‘হেনরি’র হেফাজত ফিরে পেতে এবার সরাসরি দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। সোমবার এই মামলার প্রেক্ষিতে আইনজীবী জয় অনন্ত দেহাদ্রাইয়ের কাছ থেকে জবাব চেয়ে নোটিস জারি করেছেন বিচারপতি মনোজ কুমার ওহরি।
আদালতে কেন পৌঁছলেন মহুয়া?
সাংসদ মহুয়া মৈত্রের দাবি, হেনরি মূলত তাঁর সঙ্গেই থাকত। শুধুমাত্র সংসদীয় কাজে দিল্লির বাইরে যাওয়ার সময় তিনি পোষ্যটিকে দেহাদ্রাইয়ের কাছে রেখে যেতেন। এর আগে সাকেত আদালত মহুয়ার মাসে অন্তত ১০ দিন হেনরিকে নিজের কাছে রাখার আবেদন খারিজ করে দিয়েছিল। সেই রায়কে ‘আইনগত ও তথ্যগতভাবে ভুল’ আখ্যা দিয়ে হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন তিনি।
পাল্টা চালে দেহাদ্রাই
অন্যদিকে, হেনরির মালিকানা নিয়ে লড়াই ছাড়তে নারাজ জয় অনন্ত দেহাদ্রাই। ২০২১ সালে তিনি হেনরিকে কিনেছিলেন বলে দাবি করেছেন। হাইকোর্টে দাঁড়িয়ে তিনি আবেদন জানান যাতে মহুয়া মৈত্রের এই পিটিশন শুরুতেই খারিজ করে দেওয়া হয়। আদালত অবশ্য এখনই সেই পথে না হেঁটে দেহাদ্রাইয়ের আনুষ্ঠানিক জবাব তলব করেছে।
২৯ এপ্রিল কি হবে ফয়সালা?
গত বছরের সেপ্টেম্বর মাস থেকেই এই রটওয়েলারের হেফাজত নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে আইনি লড়াই চলছে। সাকেত আদালতে এখনও একটি মামলা ঝুলে রয়েছে। এমতাবস্থায় উচ্চ আদালত এই সংবেদনশীল বিষয়ে কী অবস্থান নেয়, তা স্পষ্ট হবে আগামী ২৯ এপ্রিলের শুনানিতে। প্রিয় পোষ্য হেনরি শেষ পর্যন্ত কার কাছে থাকবে, সেদিকেই এখন সবার নজর।