আত্মসম্মান রক্ষায় সতর্ক হোন, মানসিক সুস্থতার জন্য বর্জন করুন এই ক্ষতিকর অভ্যাসগুলো

ব্যক্তিগত বা কর্মজীবনে মানিয়ে নেওয়া স্বাভাবিক হলেও, অন্যের প্রত্যাশা পূরণ করতে গিয়ে নিজের আত্মসম্মান বিসর্জন দেওয়া ব্যক্তিত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, কথায় কথায় বিনাকারণে ক্ষমা চাওয়া বা নিজের ভুল না থাকলেও নতি স্বীকার করা আত্মবিশ্বাসের অভাব প্রকাশ করে। যেকোনো পরিস্থিতিতে মেরুদণ্ড সোজা রেখে চলা এবং অযৌক্তিক আপস না করাই প্রকৃত আত্মসম্মানবোধের পরিচয়।
অনেক ক্ষেত্রে অপরকে খুশি করতে গিয়ে নিজের রুটিন বা প্রয়োজনীয়তাকে অবহেলা করার প্রবণতা দেখা যায়। অন্যের সঙ্গে নিজের অনবরত তুলনা করা বা নিজেকে ব্যর্থ ভাবার মতো হীনমন্যতা মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটায়। এমনকি নিকটজনের অপমান মুখ বুজে সহ্য করে নেওয়া ব্যক্তিত্বের বিকাশে বাধা সৃষ্টি করে। শৈশবের কোনো নেতিবাচক অভিজ্ঞতা থেকে এই ধরনের আচরণ তৈরি হতে পারে যা সময়মতো পরিবর্তন করা জরুরি।
সুস্থ ও সুন্দর জীবনের মূল চাবিকাঠি হলো নিজেকে ভালোবাসা এবং নিজের সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে সচেতন থাকা। অন্যের প্রয়োজনে পাশে থাকা ভালো, তবে তা যেন নিজের সত্তাকে বিসর্জন দিয়ে না হয়। নিজের সিদ্ধান্ত ও অবস্থানের ওপর আস্থা রাখা এবং অন্যের অন্যায্য আচরণের প্রতিবাদ করাই একজন আত্মমর্যাদাশীল মানুষের বৈশিষ্ট্য। তাই এই ক্ষতিকর অভ্যাসগুলো বদলে ফেলে আজই নিজের আত্মসম্মান প্রতিষ্ঠায় সচেষ্ট হওয়া প্রয়োজন।