ফ্যাটি কিডনির ঝুঁকি, লক্ষণ চিনে সতর্ক হওয়া জরুরি

ফ্যাটি কিডনির ঝুঁকি, লক্ষণ চিনে সতর্ক হওয়া জরুরি

লিভারের মতো কিডনিতেও মেদ জমার সমস্যা বা ‘ফ্যাটি কিডনি’ বর্তমানে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মূলত রেনাল সাইনাস নামক অংশে অতিরিক্ত চর্বি জমলে রক্ত সঞ্চালনে বাধা সৃষ্টি হয়, যা থেকে সংক্রমণ বা পাথর জমার ঝুঁকি বাড়ে। স্থূলতা, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন এই রোগের প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস এবং রক্তে অতিরিক্ত কোলেস্টেরল থাকলে এই রোগের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়। এর ফলে কিডনিতে চাপ সৃষ্টি হয় এবং স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা ব্যাহত হতে পারে। যেহেতু প্রাথমিক অবস্থায় লক্ষণগুলো স্পষ্ট হয় না, তাই দীর্ঘমেয়াদী জটিলতা এড়াতে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও সচেতনতা অত্যন্ত প্রয়োজন।

ফ্যাটি কিডনি প্রতিরোধে ভাজাভুজি ও প্রক্রিয়াজাত খাবার বর্জন করে সুষম খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি। নিয়মিত ব্যায়াম, যোগাসন এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা এই রোগ নিরাময়ের অন্যতম উপায়। এছাড়া চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সিরাম ক্রিয়েটিনিন ও ইউরিন টেস্টের মাধ্যমে কিডনির অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা উচিত।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *