‘বোরিং থালি’ই নাকি বানাবে ধনী! ৬৫-১০-১০-১৫ ফর্মুলার অজানা রহস্য জানেন?

‘বোরিং থালি’ই নাকি বানাবে ধনী! ৬৫-১০-১০-১৫ ফর্মুলার অজানা রহস্য জানেন?

বর্তমান অস্থির বাজারে নিরাপদ সঞ্চয় ও নিশ্চিত লাভের জন্য বিনিয়োগ বিশেষজ্ঞরা ‘বোরিং থালি’ বা সুষম বিনিয়োগ কৌশলের ওপর জোর দিচ্ছেন। শেয়ার বাজারের অনিশ্চয়তা এবং ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতির ধাক্কা সামলাতে একটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে সব টাকা না রেখে পোর্টফোলিয়োতে বৈচিত্র্য আনা জরুরি। ঠিক যেমন ভাতের থালিতে ডাল, তরকারি ও দই ভারসাম্য বজায় রাখে, তেমনই বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও সুশৃঙ্খল বিভাজন দীর্ঘমেয়াদী আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করে।

সাফল্যের এই বিশেষ ফর্মুলাটি হলো ৬৫-১০-১০-১৫। এই নিয়ম অনুযায়ী, মোট পুঁজির ৬৫ শতাংশ ইক্যুইটি বা মিউচুয়াল ফান্ডে, ১০ শতাংশ সোনায়, ১০ শতাংশ রুপোয় এবং বাকি ১৫ শতাংশ ডেট ফান্ড বা সরকারি বন্ডে বিনিয়োগ করা উচিত। ইক্যুইটি দীর্ঘমেয়াদী বৃদ্ধিতে সহায়তা করে, অন্যদিকে সোনা ও রুপো অর্থনৈতিক সংকটের সময় ঢাল হিসেবে কাজ করে। ডেট ফান্ড বিনিয়োগে স্থিতিশীলতা ও নিয়মিত আয়ের নিশ্চয়তা প্রদান করে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিনিয়োগ কোনো দ্রুত গতির দৌড় নয়, বরং একটি পরিকল্পিত যাত্রা। হুজুগে পড়ে বা আবেগের বশে ভুল সিদ্ধান্ত না নিয়ে এই পদ্ধতিগত কৌশল অনুসরণ করলে লোকসানের ঝুঁকি অনেকটাই কমে। যারা বাজারের ওঠানামা নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকেন, তাদের জন্য এই ‘বোরিং থালি’ মডেলটি সম্পদ বৃদ্ধির সবথেকে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হতে পারে। রাতারাতি টাকা দ্বিগুণ না হলেও, এটি দীর্ঘমেয়াদে একটি স্থিতিশীল ও শক্তিশালী পোর্টফোলিয়ো তৈরি করতে সক্ষম।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *