স্বাস্থ্যবিমার সীমাবদ্ধতা: চিকিৎসা সুরক্ষায় আলাদা মেডিক্যাল ফান্ড গড়া জরুরি

ভারতে ক্রমবর্ধমান চিকিৎসার খরচ সামলাতে কেবল স্বাস্থ্যবিমা যথেষ্ট নয় বলে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিমা থাকা সত্ত্বেও হাসপাতালের বিলের প্রায় ৪০ শতাংশ খরচ রোগীদের পকেট থেকেই মেটাতে হয়। ওপিডি ভিজিট, ওষুধ এবং কনজিউমেবল সামগ্রীর মতো অনেক বিষয়ই সাধারণ পলিসির আওতায় থাকে না। ফলে বিমা থাকা সত্ত্বেও সাধারণ মানুষ আর্থিক সঙ্কটের মুখে পড়েন।
চিকিৎসা ক্ষেত্রে মুদ্রাস্ফীতির হার বছরে ১২-১৪ শতাংশ, যা সাধারণ মুদ্রাস্ফীতির চেয়ে অনেক বেশি। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, বিমা বড় বিল মেটালেও নগদ প্রবাহ বা লিকুইডিটি নিশ্চিত করে না। তাই পলিসির পাশাপাশি অন্তত ৬-১২ মাসের খরচ সমপরিমাণ অর্থ আলাদা একটি ‘মেডিক্যাল কনটিনজেন্সি ফান্ড’-এ রাখা জরুরি।
সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বিমার অঙ্কের অন্তত ৪০-৫০ শতাংশ অর্থ ব্যাকআপ হিসেবে রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে বয়স্কদের জন্য এই তহবিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক সময়ে পলিসি রিভিউ এবং ব্যক্তিগত সঞ্চয়ের সমন্বয়ই পারে চিকিৎসাজনিত জরুরি পরিস্থিতিতে প্রকৃত আর্থিক নিরাপত্তা দিতে। কেবল বিমার ওপর নির্ভরশীলতা ভবিষ্যতে বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে।