অ্যাকসেঞ্চারে পদোন্নতির চাবিকাঠি এখন এআই; কর্মীদের জন্য নতুন নির্দেশিকা জারি

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে সাধারণের মধ্যে কর্মসংস্থান হারানোর আতঙ্ক থাকলেও, বহুজাতিক সংস্থা অ্যাকসেঞ্চার একে ক্যারিয়ার গড়ার হাতিয়ার হিসেবে গ্রহণ করেছে। সংস্থাটি স্পষ্ট জানিয়েছে, এখন থেকে উচ্চপদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে এআই টুলের ব্যবহারে দক্ষতা থাকা বাধ্যতামূলক। কর্মীদের পারফরম্যান্স মূল্যায়নের সময় তারা কতটা নিয়মিত এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করছেন, এখন থেকে সেই ডেটা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবে কর্তৃপক্ষ।
অভ্যন্তরীণ ইমেল মারফত সিনিয়র ম্যানেজার ও অ্যাসোসিয়েট ডিরেক্টরদের জানানো হয়েছে যে, নেতৃত্বদানকারী ভূমিকায় উন্নীত হতে হলে দৈনন্দিন কাজে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ অপরিহার্য। এমনকি নির্দিষ্ট কিছু সিনিয়র স্টাফের সাপ্তাহিক লগ-ইন ডেটা সংগ্রহের কাজও শুরু হয়েছে। মূলত কাজের গতি বাড়ানো এবং প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্কৃতি গড়ে তুলতেই পরামর্শদাতা এই সংস্থাটি এমন কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
অ্যাকসেঞ্চার তাদের ৭ লক্ষ ৮০ হাজার কর্মীর মধ্যে প্রায় ৫.৫ লক্ষ কর্মীকে ইতিমদধ্যেই জেনারেটিভ এআই-তে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। সংস্থার সিইও জুলি সুইট জানিয়েছেন, কাজের নতুন ধারা তৈরি এবং এআই সলিউশনকে স্কেল করার লক্ষ্যেই এই বিনিয়োগ। সাম্প্রতিক ত্রৈমাসিকে এআই-চালিত পরিষেবার চাহিদা বাড়ায় সংস্থার মুনাফাও প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশি হয়েছে, যা ভবিষ্যতে প্রযুক্তির গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে তুলেছে।