২০৪৭ সালের স্বপ্ন কি সত্যি করবে এআই? মোদী সরকারের লক্ষ্যপূরণ নিয়ে বড় আপডেট দিল আইএমএফ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই কি ভারতের ভাগ্য বদলে দিতে পারে? আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের (আইএমএফ) সাম্প্রতিক পূর্বাভাসে তেমনটাই ইঙ্গিত মিলছে। আইএমএফ-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা জানিয়েছেন, সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে এআই বিশ্বের আর্থিক বৃদ্ধির হার ০.৮ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়ে দিতে পারে। আর এই প্রযুক্তির হাত ধরেই ভারত তার দীর্ঘদিনের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য ‘বিকশিত ভারত’ অর্জনে সফল হতে পারে বলে মনে করছে এই বিশ্ব সংস্থা।
শুক্রবার একটি গুরুত্বপূর্ণ এআই শীর্ষ সম্মেলনে বক্তব্য রাখার সময় জর্জিয়েভা জানান, মোদী সরকারের উন্নত ভারত গড়ার লক্ষ্যে অন্যতম প্রধান হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। তাঁর মতে, এআই প্রযুক্তি ভারতের সামগ্রিক উৎপাদনশীলতা বাড়িয়ে আর্থিক গতিপথকে আরও ত্বরান্বিত করবে।
তবে এই উজ্জ্বল সম্ভাবনার পাশাপাশি আশঙ্কার মেঘও দেখছেন তিনি। জর্জিয়েভা স্পষ্টভাবে সতর্ক করেছেন যে, এআই বিপ্লবের ফলে বড়সড় কর্মসংস্থান সংকটের মুখে পড়তে পারে বিশ্ব। অনেক মানুষ কাজ হারাতে পারেন, যা অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
ভারতের জন্য আশার কথা শুনিয়ে আইএমএফ প্রধান বলেন, ভারতের জনসংখ্যার অর্ধেকের বেশিই তরুণ। এই তরুণ প্রজন্ম প্রযুক্তির সঙ্গে দ্রুত খাপ খাইয়ে নিতে দক্ষ। তাই কর্মসংস্থানের ঝুঁকি থাকলেও, সঠিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ভারত এই এআই চ্যালেঞ্জকে সম্ভাবনায় রূপান্তরিত করতে পারবে। অর্থাৎ, তরুণদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা ব্যবহার করে ভারত একদিকে যেমন কাজের নতুন বাজার তৈরি করতে পারবে, ঠিক তেমনই ২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত দেশের তকমা পাওয়ার দৌড়ে অনেকটা এগিয়ে যাবে।