এআই বিপ্লবে ৯ কোটি চাকরি ঝুঁকির মুখে, আশার আলো দেখাচ্ছেন নন্দন নীলেকণি

এআই বিপ্লবে ৯ কোটি চাকরি ঝুঁকির মুখে, আশার আলো দেখাচ্ছেন নন্দন নীলেকণি

বর্তমান কর্মক্ষেত্রে কৃত্রিম মেধা বা এআই-এর ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ইনফোসিসের চেয়ারম্যান নন্দন নীলেকণি সম্প্রতি বেঙ্গালুরুতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দাবি করেছেন, এআই প্রযুক্তির কারণে বিশ্বজুড়ে প্রায় ৯ কোটি চাকরি ঝুঁকির মুখে রয়েছে। বিশেষ করে ফ্রন্ট-এন্ড ডেভেলপার ও আইটি সহায়তা বিশেষজ্ঞদের মতো প্রথাগত পদগুলো দ্রুত প্রাসঙ্গিকতা হারাচ্ছে। তবে এই প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের ফলে কেবল কর্মসংস্থান কমবে তা নয়, বরং ব্যবসায়ের ধরনেও আমূল পরিবর্তন আসবে।

নীলেকণির বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এআই যেমন পুরনো পেশা কেড়ে নেবে, তেমনি নতুন ১৭ কোটি কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি করবে। কোডিং বা সাধারণ কারিগরি দক্ষতার চেয়ে এখন প্রযুক্তিগত পরিচ্ছন্নতা ও উদ্ভাবনী চিন্তার ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। মাইক্রোসফ্‌ট ও অন্যান্য বিশেষজ্ঞরাও ‘হোয়াইট কলার’ চাকরির ভবিষ্যৎ নিয়ে সতর্ক করলেও, ইনফোসিস কর্তা মনে করেন সঠিক প্রস্তুতি থাকলে এই কৃত্রিম মেধার জোয়ারে নতুন সম্ভাবনা উন্মোচিত হওয়া সম্ভব।

ভবিষ্যতের এই বাজারে টিকে থাকতে পাঁচটি বিশেষ পেশার ওপর জোর দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এআই ইঞ্জিনিয়ার, ফরেন্সিক অ্যানালিস্ট, ফরোয়ার্ড-ডেপ্লয়েড ইঞ্জিনিয়ার, এজেন্টিক ওয়ার্কফ্লো আর্কিটেক্ট এবং ডেটা অ্যানোটেটর—এই পদগুলোর চাহিদা আগামী দিনে আকাশচুম্বী হবে। তাই তরুণ প্রজন্মকে প্রথাগত শিক্ষার গণ্ডি পেরিয়ে কৃত্রিম মেধা ও মেশিন লার্নিং সংক্রান্ত আধুনিক দক্ষতা অর্জনে মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। মূলত প্রযুক্তির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়াই হবে আগামী দিনের সাফল্যের চাবিকাঠি।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *