মাঝরাতে বিজেপির সঙ্গে বৈঠক করছে সিপিএম, দলবদলু প্রতীক উরকে পাশে নিয়ে বিস্ফোরক অভিষেক

২০২৬-এর মহাযুদ্ধের আগে বড় চমক ঘাসফুল শিবিরে। সিপিএমের তরুণ তুর্কি প্রতীক উর রহমানকে দলে টেনে বামেদের কার্যত দিশেহারা করে দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আমতলার সভা থেকে এদিন সিপিএম নেতৃত্বকে তুলোধোনা করে অভিষেক দাবি করেন, যারা বাংলার শান্তি বিঘ্নিত করতে চায়, সেই বিজেপির সঙ্গেই রাতের অন্ধকারে গোপন বৈঠক সারছে সিপিএম।
তৃণমূলে যোগ দিয়েই প্রতীক উর রহমান সরাসরি বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাক দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট জানান, বাংলার গৌরব রক্ষা করতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত শক্ত করাই এখন সময়ের দাবি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন প্রতীকের দলবদলকে সমর্থন জানিয়ে বলেন, যারা সিপিএমকে আজ শূন্যে নামিয়ে এনেছে, তারাই এখন যোগ্য তরুণ নেতাদের গুরুত্ব না দিয়ে দোষারোপ করছে।
অভিষেক এদিন প্রশ্ন তোলেন, সিপিএমের ৩৪ বছরের শাসনে বাংলার কী উন্নতি হয়েছিল? লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মতো জনমুখী প্রকল্পকে যারা ‘ভিক্ষা’ বলে কটাক্ষ করে, তাদের আদর্শ নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন তিনি। নাম না করে মহম্মদ সেলিমকেও নিশানা করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, নতুন এবং পুরনো প্রজন্মের মেলবন্ধনেই দল শক্তিশালী হয়, আর তৃণমূল সেই লক্ষ্যেই আগামী প্রজন্মকে সুযোগ করে দিচ্ছে।
ভোটের আগে এই দলবদল এবং অভিষেকের আক্রমণ রাজ্য রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করল। একদিকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বুটের শব্দ, আর অন্যদিকে বাম শিবিরে ভাঙন— সব মিলিয়ে ২০২৬-এর লড়াই এখন থেকেই জমে উঠেছে।