বাংলায় সিএএ রূপায়ণে দুঁদে অফিসারদের হাই-প্রোফাইল কমিটি! কারা সামলাবেন নাগরিকত্বের দায়িত্ব জেনে নিন

পশ্চিমবঙ্গে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন বা সিএএ (CAA) কার্যকর করার প্রক্রিয়া এবার চূড়ান্ত পর্যায়ে। এই আইন প্রয়োগের খুঁটিনাটি খতিয়ে দেখতে এবং আবেদনকারীদের ভাগ্য নির্ধারণ করতে গঠন করা হয়েছে একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ‘এমপাওয়ার্ড কমিটি’। কারা থাকছেন এই উচ্চপর্যায়ের কমিটিতে এবং কাদের হাতে থাকছে চূড়ান্ত ক্ষমতা, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রবল কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
এমপাওয়ার্ড কমিটির মাথায় থাকছেন কারা
রাজ্যে সিএএ রূপায়ণের এই বিশেষ কমিটির নেতৃত্বে থাকছেন ডিরেক্টরেট অব সেন্সাস অপারেশনসের ডেপুটি রেজিস্ট্রার জেনারেল। প্রশাসনিকভাবে এই পদটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ নাগরিকত্বের মতো সংবেদনশীল বিষয়গুলি এই দপ্তরের মাধ্যমেই নিয়ন্ত্রিত হয়।
কমিটির সদস্য পদে থাকছেন অভিজ্ঞ আধিকারিকরা
শুধুমাত্র সেন্সাস অপারেশনস নয়, কমিটির কাজের স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একাধিক কেন্দ্রীয় দপ্তরের প্রতিনিধিদের রাখা হয়েছে। সদস্যদের তালিকায় রয়েছেন:
- এসআইবি (SIB): ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর ডেপুটি সেক্রেটারি পদমর্যাদার অফিসার।
- এফআরআরও (FRRO): ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিসের উচ্চপদস্থ প্রতিনিধি।
- ডাক বিভাগ: ডাক বিভাগের পক্ষ থেকে মনোনীত প্রতিনিধি।
- এনআইসি (NIC): স্টেট ইনফরমেটিক্স অফিসার, যিনি প্রযুক্তিগত বিষয়গুলি দেখভাল করবেন।
বিশেষ আমন্ত্রিত সদস্য হিসেবে থাকছেন যারা
কমিটির কাজের পরিধি আরও বিস্তৃত করতে এবং স্থানীয় স্তরের সমন্বয় বজায় রাখতে বিশেষ আমন্ত্রিত হিসেবে থাকছেন রাজ্য স্বরাষ্ট্র দপ্তরের প্রতিনিধি। এছাড়াও রেলের ডিআরএম (DRM) কর্তৃক মনোনীত একজন সদস্যও এই কমিটির বিশেষ আমন্ত্রিত তালিকায় জায়গা পেয়েছেন।
মূলত এই শক্তিশালী কমিটিই রাজ্যে আসা সিএএ-র প্রতিটি আবেদন পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করে দেখবে। আবেদনকারীর দেওয়া তথ্য এবং নথিপত্র আইনসম্মত কি না, সেই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা থাকছে এই কমিটির হাতেই। নাগরিকত্ব পাওয়ার ক্ষেত্রে এই কমিটির ভূমিকা হবে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ।