হঠাৎ মোবাইলে তীব্র সাইরেন আর ইমার্জেন্সি অ্যালার্ট! ঘাবড়াবেন না জানুন এর আসল কারণ

হঠাৎ মোবাইলে তীব্র সাইরেন আর ইমার্জেন্সি অ্যালার্ট! ঘাবড়াবেন না জানুন এর আসল কারণ

নিউজ ডেস্ক

আজ ২০ ফেব্রুয়ারি ঠিক দুপুর ১১টা ৫৮ মিনিট নাগাদ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সাধারণ মানুষের মোবাইল ফোন হঠাৎ এক তীব্র সতর্কবার্তায় কেঁপে ওঠে। পকেটে থাকা ফোন হোক বা টেবিলের ওপর রাখা স্মার্টফোন— আচমকাই বেজে ওঠে সাইরেন। স্ক্রিনে ভেসে ওঠে একটি বিশেষ ফ্ল্যাশ মেসেজ, যেখানে লেখা ছিল ‘Emergency Alert: Test’। অ্যান্ড্রয়েড থেকে আইফোন, প্রায় সব স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর কাছেই পৌঁছেছে এই রহস্যময় নোটিফিকেশন। এই অতর্কিত আওয়াজ এবং বার্তায় সাধারণ মানুষের মধ্যে সাময়িক আতঙ্ক তৈরি হলেও, ভয়ের কোনো কারণ নেই বলে আশ্বস্ত করেছে সরকার।

কেন এই আচমকা অ্যালার্ট?

টেলিযোগাযোগ বিভাগ (DoT) এবং ন্যাশনাল ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি (NDMA) যৌথভাবে এই পরীক্ষাটি চালিয়েছে। এটি মূলত সরকারের একটি অত্যাধুনিক ‘সেল ব্রডকাস্টিং সিস্টেম’-এর অংশ। ভূমিকম্প, সুনামির মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয় কিংবা অন্য কোনো জরুরি অবস্থায় দেশের কোটি কোটি মানুষের কাছে মুহূর্তের মধ্যে সতর্কতা বার্তা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই ট্রায়াল রান বা পরীক্ষা চালানো হয়েছে। সরকার যাচাই করে দেখছে যে, সংকটের সময় দেশের প্রতিটি কোণায় থাকা মোবাইলে একসঙ্গে সিগন্যাল পাঠানো সম্ভব কি না। পিআইবি (PIB) সূত্রে খবর, দেশের বিভিন্ন রাজ্যে ধাপে ধাপে এই পরীক্ষা চালানো হচ্ছে।

আপনার কী করণীয়?

মোবাইলে আসা এই মেসেজটি ছিল শুধুমাত্র একটি যান্ত্রিক পরীক্ষা। বার্তায় স্পষ্ট করে লিখে দেওয়া হয়েছিল যে, সাধারণ নাগরিকের এই বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন নেই। বর্তমানে এই সতর্কতা বার্তাগুলো হিন্দি এবং ইংরেজি ভাষায় পাঠানো হলেও, ভবিষ্যতে দেশের বিভিন্ন আঞ্চলিক ভাষাতেও এই পরিষেবা চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। বিপর্যয় মোকাবিলায় জানমালের ক্ষতি কমাতে এবং জননিরাপত্তা আরও সুনিশ্চিত করতেই ভারত সরকারের এই বিশেষ উদ্যোগ। তাই আপনার ফোনেও এমন মেসেজ এলে ঘাবড়ে না গিয়ে বুঝে নিন যে এটি আপনার নিরাপত্তার জন্যই তৈরি একটি মহড়া।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *