নাম বদলে বিয়ে করলে আর রেহাই নেই? নতুন আইনে কী কড়া বার্তা দিচ্ছে সরকার

বিয়ের নামে প্রতারণা ও তথাকথিত ‘লাভ জেহাদ’ রুখতে ২০০৬ সালের বিবাহ রেজিস্ট্রেশন আইনে বড়সড় সংশোধন আনতে চলেছে গুজরাটের বিজেপি সরকার। বিধানসভায় দাঁড়িয়ে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হর্ষ সাংঘি জানান, পরিচয় গোপন করে বিয়ের মাধ্যমে নারী নিগ্রহ রুখতেই এই কঠোর পদক্ষেপ। নতুন নিয়মে বিয়ের নথিভুক্তিকরণের সময় পাত্র-পাত্রীর অভিভাবকদের বিস্তারিত তথ্য প্রদান এবং তাঁদের সম্মতি বা নোটিফিকেশন বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।
প্রস্তাবিত বিধি অনুযায়ী, বিশেষ করে প্রেমঘটিত বা পালিয়ে বিয়ের ক্ষেত্রে অভিভাবকদের আধার নম্বরসহ যোগাযোগের সমস্ত তথ্য অ্যাসিস্ট্যান্ট রেজিস্ট্রারের কাছে জমা দিতে হবে। কর্তৃপক্ষ যাচাইয়ের পর ১০ কার্যদিবসের মধ্যে অভিভাবকদের বিষয়টি জানাবেন। এছাড়া বিয়ের আবেদনের সঙ্গে জন্ম শংসাপত্র, স্কুল লিভিং সার্টিফিকেট এবং সাক্ষীদের ছবিসহ পরিচয়পত্র জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
সরকারের দাবি, প্রকৃত প্রেমে বাধা দেওয়া উদ্দেশ্য নয়, বরং আইনি স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং জালিয়াতি রুখতেই এই সিদ্ধান্ত। উপমন্ত্রী সাংঘি স্পষ্ট করেছেন যে, পরিচয় গোপন করে কোনো ব্যক্তি যদি কাউকে প্রতারিত করে, তবে প্রশাসন কঠোর ব্যবস্থা নেবে। এই নিয়ম কার্যকর হলে গুজরাটই হবে দেশের প্রথম রাজ্য, যেখানে বিয়ের রেজিস্ট্রেশনে অভিভাবকদের নোটিফিকেশন বাধ্যতামূলক হচ্ছে।