CAPF বনাম IPS বিতর্ক: রাজ্যসভায় নতুন বিধেয়ক পেশ অমিত শাহের

CAPF বনাম IPS বিতর্ক: রাজ্যসভায় নতুন বিধেয়ক পেশ অমিত শাহের

কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীতে (CAPF) আধিকারিক নিয়োগ ও পদোন্নতি নিয়ে দীর্ঘদিনের জটিলতা কাটাতে রাজ্যসভায় ‘কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (সাধারণ প্রশাসন) বিধেয়ক, ২০২৬’ পেশ করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বিএসএফ, সিআরপিএফ, আইটিবিপি এবং সিআইএসএফ-এর মতো বাহিনীগুলোতে আইপিএস আধিকারিকদের প্রতিনিয়োগ সংক্রান্ত নিয়ম পুনর্নির্ধারণ করাই এই বিলের মূল লক্ষ্য। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে বাহিনীর নিজস্ব ক্যাডার আধিকারিকদের পদোন্নতিতে স্থবিরতা দূর করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

প্রস্তাবিত এই বিধেয়কের মাধ্যমে আধাসামরিক বাহিনীগুলোর জন্য একটি অভিন্ন আইনি কাঠামো তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে। নতুন নিয়মে আইজি স্তরের ৫০ শতাংশ এবং এডিজি স্তরের অন্তত ৬৭ শতাংশ পদ আইপিএস আধিকারিকদের জন্য সংরক্ষিত রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া এসডিজি ও ডিজি স্তরের সমস্ত পদ প্রতিনিয়োগের মাধ্যমেই পূরণ করা হবে। বর্তমানে ভিন্ন ভিন্ন আইনের অধীনে পরিচালিত বাহিনীগুলোকে এক ছাতার নিচে আনলে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা বাড়বে বলে সরকারের দাবি।

ক্যাডার আধিকারিক বনাম আইপিএস আধিকারিকদের এই দ্বন্দ্বে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে সমন্বয় রক্ষা করাই সরকারের প্রধান যুক্তি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের মতে, একক প্রশাসনিক কাঠামো কার্যকর হলে বাহিনীর অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা মজবুত হবে এবং পদোন্নতি সংক্রান্ত আইনি বিরোধ হ্রাস পাবে। সংসদীয় কার্যসূচি অনুযায়ী, এই আইন পাশ হলে সিআরপিএফ থেকে এসএসবি—সর্বত্র চাকরির শর্তাবলি ও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় একরূপতা আসবে, যা জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *