আকুপ্রেশারের জাদুতে কমবে মেদ, ওজন নিয়ন্ত্রণে প্রাচীন পদ্ধতির সহজ সমাধান

ওজন কমানোর জন্য কঠোর ডায়েট বা জিমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় ব্যয় করার পাশাপাশি এখন অনেকেই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন বিকল্প চিকিৎসার দিকে ঝুঁকছেন। প্রাচীন ভারতীয় যোগশাস্ত্র ও আকুপ্রেশার পদ্ধতি এক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকর হতে পারে। শরীরের নির্দিষ্ট কিছু স্নায়ু ও পেশিকে সক্রিয় করার মাধ্যমে বিপাকক্রিয়া বৃদ্ধি এবং অভ্যন্তরীণ শক্তিকে জাগ্রত করাই এই পদ্ধতির মূল লক্ষ্য। সঠিক পয়েন্টে চাপ প্রয়োগ করলে কোনো ওষুধ ছাড়াই শরীরের কঠিন সমস্যার সমাধান সম্ভব।
ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক প্রধান পাঁচটি আকুপ্রেশার পয়েন্ট হলো কানের সামনের অংশ, নাক ও ঠোঁটের মধ্যবর্তী খাঁজ, কনুইয়ের ভাঁজ, হাঁটুর নিচের অংশ এবং গোড়ালির হাড়ের উপরের পয়েন্ট। এই স্থানগুলোতে নিয়ম মেনে নির্দিষ্ট সময় ধরে হালকা চাপ বা মালিশ করলে অতিরিক্ত খিদে নিয়ন্ত্রণ হয়, হজম ক্ষমতা বাড়ে এবং শরীরের বাড়তি জল বেরিয়ে যায়। বিশেষ করে পেটের মেদ কমাতে এবং পেট ফাঁপার সমস্যা দূর করতে এই পদ্ধতিগুলো বেশ ফলদায়ক।
তবে সুফল পেতে আকুপ্রেশারের পাশাপাশি খাদ্যাভ্যাসে নিয়ন্ত্রণ রাখাও জরুরি। চিকিৎসকদের মতে, একদম খালি পেটে বা ভরা পেটে এই প্রক্রিয়া করা উচিত নয়। অফিসে দীর্ঘক্ষণ বসে কাজ করার ফলে যাদের ওজন বাড়ছে, তারা নিয়মিত ২ থেকে ৫ মিনিট এই সহজ ব্যায়ামগুলো করতে পারেন। তবে শরীরে কোনো দীর্ঘমেয়াদী রোগ থাকলে অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকের পরামর্শ নিয়ে আকুপ্রেশার শুরু করা শ্রেয়। এতে শরীরের স্বাভাবিক ছন্দ বজায় থাকে।