টাইপ ১ না কি টাইপ ২ কোন ডায়াবেটিস বেশি বিপজ্জনক? চিনে নিন আপনার শরীরের গোপন সংকেত
/indian-express-bangla/media/media_files/2025/11/13/diabetes-2025-11-13-11-49-13.jpg?w=640&resize=640,360&ssl=1)
ডায়াবেটিস মানেই কি এক? মোটেও নয়। টাইপ ১ এবং টাইপ ২ ডায়াবেটিসের মধ্যে রয়েছে আকাশ-পাতাল পার্থক্য। অনেকে এই পার্থক্য বুঝতে পারেন না বলেই রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খান। সুস্থ থাকতে আপনার শরীরের ধরন বুঝে নেওয়া জরুরি।
টাইপ ১ বনাম টাইপ ২: তফাত কোথায়?
टाइप ১ ডায়াবেটিস
এটি একটি অটোইমিউন সমস্যা। এখানে শরীর নিজে থেকে ইনসুলিন তৈরি করা বন্ধ করে দেয়। অগ্ন্যাশয়ের ইনসুলিন উৎপাদনকারী কোষগুলো যখন ধ্বংস হয়ে যায়, তখনই এই সমস্যা দেখা দেয়। সাধারণত শৈশব বা কৈশোরেই এটি ধরা পড়ে এবং রোগীকে প্রতিদিন ইনসুলিন ইনজেকশন নিতে হয়।
टाइপ ২ ডায়াবেটিস
এই ক্ষেত্রে শরীর ইনসুলিন তৈরি করলেও তা সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারে না। অনিয়মিত জীবনযাপন, স্থূলতা এবং বংশগত কারণে সাধারণত ৩০-৪০ বছর বয়সের পর এটি দেখা দেয়। ডায়েট, ব্যায়াম এবং ওষুধের মাধ্যমে প্রাথমিক পর্যায়ে এটি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
একই রকম কিছু সাধারণ লক্ষণ
উভয় প্রকার ডায়াবেটিসের কিছু লক্ষণ প্রায় এক –
- বারংবার তৃষ্ণা পাওয়া এবং গলা শুকিয়ে যাওয়া।
- অতিরিক্ত প্রস্রাবের চাপ অনুভব করা।
- দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হয়ে আসা।
- শরীরের কোনো ক্ষত শুকাতে অনেক বেশি সময় লাগা।
ভিন্নধর্মী সতর্ক সংকেত
টাইপ ১ ডায়াবেটিসে হঠাৎ করে ওজন কমে যাওয়া, মেজাজ খিটখিটে হওয়া বা বমি বমি ভাব দেখা দেয়। অন্যদিকে, টাইপ ২ ডায়াবেটিসের লক্ষণ প্রকাশ পায় ধীরে ধীরে। এক্ষেত্রে ঘাড়, বগল বা কুঁচকির চামড়া কালচে হয়ে যাওয়া এবং হাত-পায়ে ঝিঁঝিঁ ধরার মতো সমস্যা হতে পারে।