ডায়াবেটিস রোগীরা সাবধান! এই ফল খেলেই হু হু করে বাড়তে পারে সুগার

রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে ডায়েট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে কলা এবং আঙুর খাওয়ার ক্ষেত্রে ডায়াবেটিস রোগীদের বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।
পাকা কলা না কাঁচকলা কোনটি সেরা?
পুষ্টিবিদদের মতে, অতিরিক্ত পাকা কলার চেয়ে ঈষৎ সবুজ বা আধা পাকা কলা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বেশি উপকারী। এতে থাকে ‘রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ’, যা রক্তে হঠাৎ শর্করার মাত্রা বাড়তে দেয় না। কলার গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (GI) ৪২ থেকে ৫৮-এর মধ্যে থাকে। তবে খোসায় কালো দাগ ধরা অতিরিক্ত পাকা কলায় চিনির পরিমাণ অনেক বেশি থাকে, যা দ্রুত সুগার বাড়িয়ে দেয়।
আঙুর খাওয়ার সঠিক নিয়ম
আঙুরে প্রাকৃতিক শর্করা থাকলেও এর জিআই ভ্যালু ৪৬ থেকে ৫৯। এতে থাকা ফাইবার ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হৃদযন্ত্রের জন্য ভালো। তবে আঙুর খেলে পরিমাণের দিকে নজর রাখা জরুরি। একজন সুগার রোগী দিনে ১০ থেকে ১৫টির বেশি আঙুর খাবেন না।
সুস্থ থাকার জরুরি টিপস
- পরিমিত আহার: যেকোনো ফলই হোক না কেন, তা অল্প পরিমাণে খাওয়া উচিত।
- প্রোটিনের সাথে সমন্বয়: শুধু ফল না খেয়ে সাথে আমন্ড, আখরোট বা টক দই খেলে রক্তে চিনি মেশার গতি ধীর হয়।
- জুস এড়িয়ে চলুন: ফলের রস খাওয়ার চেয়ে আস্ত ফল চিবিয়ে খাওয়া ভালো, এতে শরীর প্রয়োজনীয় ফাইবার পায়।
- সঠিক সময়: বিকেলের দিকে বা হালকা নাস্তা হিসেবে ফল খাওয়া সবচেয়ে নিরাপদ।
সতর্কভাবে এবং সঠিক সময়ে ফল নির্বাচন করলে ডায়াবেটিস রোগীরাও কলার পুষ্টি ও আঙুরের স্বাদ উপভোগ করতে পারেন।