ফর্সা হওয়ার ক্রিম থেকে নষ্ট হতে পারে কিডনি! প্যাকেটের গায়ে এই নাম দেখলেই আজই ডাস্টবিনে ফেলুন

ফর্সা হওয়ার ক্রিম থেকে নষ্ট হতে পারে কিডনি! প্যাকেটের গায়ে এই নাম দেখলেই আজই ডাস্টবিনে ফেলুন

নিজস্ব প্রতিনিধি

আজকের দিনে উজ্জ্বল ও ফর্সা ত্বকের আকাঙ্ক্ষা সবারই থাকে। এই সুযোগ নিয়ে বাজারে রমরমিয়ে চলছে বিভিন্ন ফেয়ারনেস ক্রিম ও স্কিন ব্রাইটনিং প্রোডাক্টের ব্যবসা। তবে চটকদার বিজ্ঞাপনে প্রলুব্ধ হয়ে সস্তা বা শংসাপত্রহীন ক্রিম ব্যবহার করলে ত্বকের দফারফা হওয়ার পাশাপাশি শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।

কেন বিউটি প্রোডাক্টের লেবেল পড়া জরুরি?

ত্বকে লাগানো যেকোনো ক্রিম বা লোশন শরীর ধীরে ধীরে শুষে নেয়। অনেক সস্তা স্কিন লাইটনিং প্রোডাক্টে ‘মার্কারি’ বা পারদের মতো বিপজ্জনক উপাদান থাকে, যা দীর্ঘমেয়াদে শরীরে বিষক্রিয়া তৈরি করে। এর ফলে ত্বক পাতলা হয়ে যাওয়া, জ্বালাপোড়া ও ফুসকুড়ি ছাড়াও মাথা ব্যথা, মেজাজ খিটখিটে হওয়া এবং এমনকি কিডনি বিকল হওয়ার ঝুঁকি থাকে। এছাড়া অতিরিক্ত সুগন্ধি ও প্রিজারভেটিভ থেকে অ্যালার্জি হওয়ার সম্ভাবনাও প্রবল।

পণ্য কেনার আগে যা দেখে নেবেন

  • উপাদান তালিকা: প্যাকেটের গায়ে মারকারি বা ক্ষতিকারক কেমিক্যাল আছে কি না যাচাই করুন।
  • ত্বকের ধরন অনুযায়ী বাছুন: তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ০.৫%-২% স্যালিসিলিক অ্যাসিড যুক্ত পণ্য ভালো। শুষ্ক ত্বকের ক্ষেত্রে সেরামাইড ও ময়েশ্চারাইজিং উপাদান থাকা জরুরি। সেনসিটিভ ত্বকের জন্য বেছে নিন সুগন্ধিহীন (Fragrance-Free) প্রোডাক্ট।
  • প্যাচ টেস্ট: মুখে লাগানোর আগে হাতে লাগিয়ে পরীক্ষা করে নিন কোনো রিঅ্যাকশন হচ্ছে কি না।
  • মেয়াদ: ম্যানুফ্যাকচারিং এবং এক্সপায়ারি ডেট না দেখে কোনোভাবেই পণ্য কিনবেন না।

ভেষজ বা ন্যাচারাল মানেই কি নিরাপদ?

অনেকেই মনে করেন ‘হার্বাল’ বা ‘ন্যাচারাল’ লেখা থাকলেই তা সম্পূর্ণ নিরাপদ। এই ধারণা সবসময় ঠিক নয়। প্রাকৃতিক উপাদান থেকেও অনেকের অ্যালার্জি হতে পারে। তাই শুধু বিজ্ঞাপনী কথায় ভরসা না করে নিজের স্কিন টাইপ বুঝে বিশেষজ্ঞের পরামর্শে সঠিক পণ্য বেছে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। কোনো ক্রিমে জ্বালাপোড়া বা লালচে ভাব দেখা দিলে অবিলম্বে ব্যবহার বন্ধ করুন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *